মামুনুল আবারও রিমান্ডে
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৯ মে ২০২১ | ২৬ বৈশাখ ১৪২৮

মামুনুল আবারও রিমান্ডে

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, মে ০৪, ২০২১

মামুনুল আবারও রিমান্ডে
নাশকতার দুই মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডে পেল পুলিশ।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ মঙ্গলবার তাকে আবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

এর আগে মামুনুলকে সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আবারও তাকে পল্টন থানার দুই মামলায় মোট ১৭ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাকে এক মামলায় তিন দিন এবং আরেক মামলায় দুদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

মামুনুল হকের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আবারও তাকে আদালতে হাজির করা হয়। নতুন করে আরও দুই মামলায় তার পাঁচ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ ছাড়া মামুনুলকে আরও পাঁচ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এর আগে মামুনুল হককে গত ২৬ এপ্রিল পল্টন ও মতিঝিল থানার দুই মামলায় সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত। এ ছাড়াও গত ১৯ এপ্রিল মোহাম্মদপুর থানার মামলায় সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন আদালত। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

হেফাজতের নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে।

মামুনুল হক হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর কমিটিরও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব এবং জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।

মামুনুল হক ঢাকায় হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অন্যতম। ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে এক নারীসহ ঘেরাও হওয়ার পর মামুনুল হকের একাধিক বিয়ের খবর বের হয়। একের পর এক অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসেন তিনি।

তেজগাঁও পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ৭ মার্চ মোহাম্মদপুর থানায় হওয়া মামলায় মামুনুল হক ৭ নম্বর আসামি। মামলার প্রাথমিক তথ্যবিবরণীতে তার বাবার নাম ও ঠিকানা অজ্ঞাত লেখা আছে। মোহাম্মদপুরের চান মিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দা জি এম আলমগীর শাহীন বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে এলোপাতাড়ি মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে গুরুতর জখম, চুরি, হুমকি দেওয়া, ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগ সৃষ্টি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। একটি মুঠোফোন, ৭ হাজার টাকা, ২০০ ডলার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ডেবিট কার্ড চুরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, মামলাটির তদন্ত তারা করছিলেন। তদন্তে মামুনুল হকের সম্পৃক্ততা পাওয়ার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওএস/এসবি

 

আরও পড়ুন

আরও