ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি মেয়েদের!
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

>

ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি মেয়েদের!

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ০৮, ২০২০

ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি মেয়েদের!
নভেল করোনা ভাইরাসের থেকেও ভয়ানক অসুখের নাম ক্যানসার। এ দেশে মেয়েদের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি। ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপির ব্যবহার আবিষ্কারক মেরি ক্যুরির জন্মদিনে বিভিন্ন দেশে পালন করা হচ্ছে জাতীয় ক্যানসার দিবস। এই মারাত্মক অসুখটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ২০১৪ সালে এই দিনটিকে জাতীয় ক্যানসার দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে প্রতি ১০ জনের ১ জন ক্যানসার আক্রান্ত এবং প্রতি ১৫ জনের ১ জন ক্যানসারের কারণে মারা যান। অচিরেই ক্যানসার এ দেশে মহামারির আকার নিতে চলেছে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা। তবে একটু সচেতন হলেই কর্কট রোগকে রুখে দেওয়া যায়। প্রয়োজন, প্রত্যেকের সচেতনতা। ক্যানসারের চিকিৎসা এখন অনেক এগিয়ে গেছে। তবে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছতে হবে রোগের শুরুতেই।

অসুখের প্রাথমিক উপসর্গ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে এবং সেলফ মেডিকেশন বন্ধ করে সঠিক চিকিৎসার সাহায্য নিলে রোগের বিস্তার আটকে দেওয়া যায়। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় কিছুটা অদল বদল করতে পারলে দূরে সরিয়ে রাখা যায় ক্যানসারের বিস্তার। ক্যানসার আটকাতে প্রথমেই সিগারেট সহ তামাকের নেশা বরাবরের মত ছাড়তে হবে। একই সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানও বন্ধ করা দরকার। যে কোনো নেশাই ক্যানসার সহ নানান রোগের আঁতুড়ঘর।

জীবন যাত্রার পরিবর্তে আমূল বদলে যাওয়া জীবন যাপন ক্যানসার ও অন্যান্য লাইফস্টাইল ডিজিজকে ডেকে আনছে। এর মধ্যে সব থেকে বিপজ্জনক হল বাড়তি ওজন। নিয়মিত ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ ও আসন করে ওজন ঠিক রাখার পাশাপাশি বাড়িতে তৈরি টাটকা হালকা খাবার খেতে হবে।

আমাদের শরীরের লক্ষ কোটি কোষ প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিভাজিত হয়। কিন্তু ক্যানসার আক্তান্ত কোষ গাণিতিক হারে বিভাজিত হয়ে চলে। বিভিন্ন শারীরিক গোলযোগের কারণেই এমনটি হয় বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। ক্যানসারের কারণ হিসেবে অনেকগুলো বিষয়কে দায়ী করা হলেও এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায় নি। তাই প্রাথমিক উপসর্গ সম্পর্কে সচেতন হলে শুরুতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যানসারের বেড়ে ওঠা আটকে দেওয়া যায়।

এ দেশের মেয়েদের মধ্যে স্তন ক্যানসারের পাশাপাশি জরায়ু-মুখ ক্যানসারের ঝুঁকিও খুব বেশি। মূলত এইচ পি ভি অর্থাৎ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের কারণে সার্ভিক্স ক্যানসার হয়। সরকারি স্তরে এই বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত অল্প বয়সে মা হওয়া, অনেক সন্তানের জন্ম দেওয়া, অপরিচ্ছন্নতা ও অপুষ্টির কারণে এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা যথেষ্ট বেড়েছে। ৯– ১৪ বছর বয়সে ও ১৫-২০ বছর বয়সে এইচপিভি ভ্যাকসিন দেওয়া থাকলে জরায়ু-মুখ ক্যানসার প্রতিরোধ করা যায়।

ওএস/ইসি

 

আরও পড়ুন

আরও
               
         
close