মুসলিম শাসনামলে পুলিশ বিভাগ
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

মুসলিম শাসনামলে পুলিশ বিভাগ

ইমরান রাইহান ৪:৪০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

মুসলিম শাসনামলে পুলিশ বিভাগ

মুসলিম শাসনামলে পুলিশ বিভাগ ছিল খুবই শক্তিশালী। এই বিভাগের দায়িত্ব ছিল জনগণের জানমাল, ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের শায়েস্তা করা। মুসলমানদের পূর্বে মিসর ও রোম সভ্যতায় এ ধরণের বিভাগের অস্তিত্ব ছিল। মুসলিম সাম্রাজ্যে শাসকরা এই বিভাগকে ঢেলে সাজান। একে করে তোলেন শক্তিশালী।

বিভিন্ন বর্ণনা থেকে দেখা যায়, নবীজি (সা.) মদীনায় হিজরতের পর থেকেই মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তখন পুলিশ বিভাগের সুশৃংখল ও নির্দিষ্ট কোনো কাঠামো না থাকলেও বিভিন্ন সময় সাহাবীরা এমনকিছু দায়িত্ব পালন করেছেন যা এই বিভাগের কর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন শুরুর দিকে কয়েকজন সাহাবী, নবীজির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ছিলেন। বিভিন্ন সময় নবীজি (সা.) মদীনা পাহারা দেওয়ার জন্য অনেক সাহাবীকে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। সহীহ বুখারীতে আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণনা এসেছে, কাইস ইবনু সাদ নবি (সা.) এর সামনে এরুপ থাকতেন, যেভাবে আমিরের (রাষ্ট্রপ্রধান) সামনে পুলিশ প্রধান থাকেন। (১)

এই হাদীসের ব্যখ্যায় ইবনু হাজার আসকালানি (রহ.) লিখেছেন, নবীজির যুগে পুলিশ বিভাগের অস্তিত্ব ছিল না। এর শুরু বনু উমাইয়ার শাসনামলে। হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস বিন মালেক (রা.) শ্রোতাদের সামনে কাইস ইবনু সাদের প্রকৃত অবস্থা বোঝানোর জন্য পুলিশ প্রধানের সাথে তুলনা করেছেন। (২)

খোলাফায়ে রাশেদীনের শাসনামলে আমরা দেখি, হযরত ওমর (রা.) নিয়মিত বাজার পরিদর্শন করতেন। রাতের বেলা মদীনার অলিগলিতে হেঁটে বেড়াতেন।

হযরত মুয়াবিয়ার খেলাফতকালে এই বিভাগকে তিনি সুশৃঙ্খল কাঠামো দেন। তিনি তার দরবারে প্রহরী নিযুক্ত করেন। উমাইয়া খলীফারা এই ধারা অব্যাহত রাখেন। ১১০ হিজরীতে খালেদ বিন আবদুলাহ বসরার গভর্নর নিযুক্ত হন। সেখানে তিনি পুলিশ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। (৩) ১৩২ হিজরীতে সালেহ বিন আবদুল্লাহ আসকার শহর নির্মাণ করলে সেখানে তিনি পুলিশ বিভাগের জন্য পৃথক একটি ভবন নির্মাণ করেন। এই ভবনের নাম ছিল দারুশ শুরতাহ।

আব্বাসী শাসনামলে এই বিভাগকে আরো শক্তিশালী করা হয়। খলীফা আবু জাফর মানসুর একবার বলেছিলেন, সাম্রাজ্যের ভিত মজবুত রাখেন চারজন। কাজি, যিনি সঠিক ফায়সালা করতে নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করেন না। পুলিশ প্রধান, শক্তিশালীদের দূর্বলের উপর জুলুম করা থেকে আটকান। খেরাজ আদায়কারী, যিনি প্রজাদের উপর জুলুম করেন না। ডাক বিভাগের প্রধান, যিনি সাম্রাজ্যের সকল খবরাখবর সঠিকভাবে পৌছে দেন।

সেকালে পুলিশ বিভাগের কাজ এ যুগের মতই ছিল। তারা খলীফা ও আমীরদের নিরাপত্তা দিতেন, রাতের বেলা শহর পাহারা দিতেন, অপরাধীদের গ্রেফতার করতেন। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে টহল দিয়ে দেখতেন কেউ শরীয়াহ বিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত আছে কিনা। ফাতেমি সাম্রাজ্যে পুলিশরা আগুন নেভানোর কাজও করতেন। অনেক সময় তারা এশার নামাযের পর মশাল জ্বেলে জেগে থাকতেন। তাদের সাথে থাকতো ভিস্তিওয়ালা। যদি রাতের বেলা কোথাও আগুন লাগে, তাহলে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেজন্য প্রায়ই পুলিশের কিছু কিছু সদস্য জেগে থাকতেন। পুলিশ-প্রধানের পদটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। হিজরী অষ্টম শতাব্দীতে উত্তর আফ্রিকায় পুলিশ-প্রধানকে বলা হতো হাকিম। আন্দালুসে বলা হত সাহিবুল মদীনা বা নগর-রক্ষক। মুসলিম-বিশ্বের অন্যান্য এলাকায় তাদের বলা হতো ওয়ালী।

পুলিশ-প্রধান নিয়োগের সময় সাধারণত আলেম ও ফকীহদের প্রাধান্য দেওয়া হতো। কখনো কখনো সেনাপতিদেরকেও নিয়োগ দেওয়া হতো। এসময় তাদের সাহসিকতা, কঠোর স্বভাব ও দৃঢ়তার প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখা হতো। পুলিশ কর্মকর্তাদের আচার-আচরণ ও অন্যান্য বিষয়ের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা হতো। আব্বাসী খলীফা মুকতাদির বিল্লাহ, বাগদাদের পুলিশ প্রধান মুহাম্মদ বিন ইয়াকুতকে অপসারণ করেছিলেন কারণ তার চারিত্রিক সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এছাড়া বিভিন্ন সময় জুলুমের সাথে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছিল। এই বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হত সতর্ক ও বিচক্ষণ লোকদের। বিচক্ষণতা ও কাজের উপর ভিত্তি করে অনেকসময় তাদের পদোন্নতি হতো। উমাইয়া খলীফাদের কেউ কেউ তাদের পুলিশ-প্রধানকে পরে কাজী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

মুসআব বিন আবদুর রহমান বিন আউফ যুহরী ছিলেন খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের সময় পুলিশ-প্রধান। তাঁর কর্মস্থল ছিল মদীনা। ইকরামা বিন রিবয়ীর দায়িত্ব ছিল ইরাকে। তাকে নিযুক্ত করেছিলেন বাশার বিন মারওয়ান। কা’কা বিন যারার ছিলেন কুফার পুলিশ-প্রধান। তিনি মদ্যপদের বিরুদ্ধে খুবই কঠোর ছিলেন। দানশীল বলে তাঁর সুনাম ছিল। ওমর বিন যায়দ আসাদী ছিলেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফের পুলিশ-প্রধান। কৃপণ বলে তাঁর দুর্নাম ছিল। একদিন শহরের বেশকিছু মানুষ তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে আসে। তিনি তখন খেজুর খাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি আগন্তুকদের খেজুর সাধলেন না। শহরবাসী কিছু দাবী নিয়ে এসেছিল তিনি তা পূরণ করলেন না। আগত এই দলে ছিলেন হাকাম বিন আদল নামে এক কবি। তিনি ওমর বিন যায়দ আসাদির কৃপণতাকে কটাক্ষ করে লিখলেন–

‘পেয়ালা ভরা খেজুর ছিল, আমরা যখন তার কাছে যাই,
খেতে দাওয়াত দেয়নি ওমর, দেওয়ার কোনো ইচ্ছেও নাই।
তার দেহে দুই পোষাক ছিল, ইতরতা আর ভীরুতা,
কৃপণ যদি না হতো সে, তবে হতো সবার নেতা।’

হাজ্জাজ বিন ইউসুফও শুরু জীবনে কিছুদিন পুলিশ বিভাগে চাকরি করেছেন। সে সময়ও যুলুমের কারণে তার কুখ্যাতি ছিল। আবদুর রহমান তামিমী ছিলেন হাজ্জাজের আমলে কুফার পুলিশপ্রধান। মালিক বিন মুনজিরকে খালিদ বিন আবদুল্লাহ পাঠিয়েছিলেন বসরার পুলিশ প্রধান নিযুক্ত করে। তার উপর আদেশ ছিল কবি ফারাযদাককে বন্দি করতে হবে। তিনি এই আদেশ বাস্তবায়ন করেছিলেন। তবে কিছুদিন পরে তাকে অপসারিত করে বন্দি করা হয়। ১১০ হিজরীতে কারাগারেই তিনি মারা যান।

ইসহাক বিন ইবরাহিম দীর্ঘসময় বাগদাদের পুলিশপ্রধান ছিলেন। তিনি একাধারে খলীফা মামুন, মুতাসিম, ওয়াসিক ও মুতাওয়াক্কিলের সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খলীফাদের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সাহসী যোদ্ধা হিসেবে তার সুনাম ছিল। ২১৫ হিজরীতে খলীফা মামুন রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করলে ইসহাক বিন ইবরাহিমকে তিনি বাগদাদ শহরের দায়িত্ব দিয়ে যান। বাবাক খুররামির সাথে লড়াইয়ের সময় খলীফা মুতাসিম তাকে সেনাবাহিনীর দায়িত্বে নিযুক্ত করেছিলেন। ২৩৫ হিজরী তথা ৮৫০ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর তার পুত্রকে তার পদে অধিষ্ঠিত করা হয়।

আল্লাম মাকরেজী। মিসরের বিখ্যাত ঐতিহাসিক। তার লিখিত ‘আল মাওয়ায়েজ ওয়াল ইতিবার বিজিকরিল খিতাতি ওয়াল আসার’ এবং ‘আস সুলুক লিমারিফাতি দুওয়ালিল মুলুক’ এখনো মামলুক সাম্রাজ্যের ইতিহাস জানার জন্য আকর গ্রন্থ বলে পরিচিত। তিনি বিভিন্ন সময় প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে চাকরি করেছেন। কিছুদিন তিনি পুলিশবিভাগেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এসময় তিনি বাজার ও নগর ব্যবস্থাপনা তদারকি করতেন। আহমান বিন ইবান ছিলেন আন্দালুসের বিখ্যাত আলেম। খলীফা হাকাম বিন মুস্তানসিরের শাসনামলে তিনি কর্ডোভার পুলিশপ্রধান ছিলেন। এমনই আরেকজন আলেম ছিলেন আবদুর রহমান বিন খালেদ। হাদীস শাস্ত্রে তিনি দক্ষ ছিলেন। ১০৯ হিজরীতে তাকে মিসরের পুলিশপ্রধান নিযুক্ত করা হয়। (৪)

পুলিশপ্রধানদের নিয়োগ দুই পদ্ধতিতে হতো। কখনো খলীফা সরাসরি নিয়োগ দিতেন। আবার কখনো উযির বা গভর্নররা নিয়োগ দিতেন। খলীফা কাউকে নিয়োগ দিলে খলীফার মৃত্যুর পরেও তাকে অপসারণ করা হতো না। তবে উযিরদের মাধ্যমে নিয়োগ পেলে খলীফার মৃত্যুর পর তাদেরকে সেই পদ থেকে সরানো হতো।

সেসময় পুলিশবিভাগের সদস্যদের মধ্যে বেশকিছু গুণের দিকে লক্ষ্য করা হতো। ইবনু আবির রবী খলীফা মুতাসিমের জন্য একটি গ্রন্থ লিখেছিলেন। এর নাম সুলুকুল মালিক ফি তাদরিবিল মামালিক। সেখানে তিনি পুলিশপ্রধানের গুণাবলী আলোচনা করতে গিয়ে লিখেছেন, তাকে হতে হবে ধৈর্য্যশীল, দূরদর্শী ও চিন্তাশীল। তিনি হাসবেন কম, চিন্তা করবেন বেশি। পাপাচার থেকে দূরে থাকবেন। শহরে কারা আসছে এসব সম্পর্কে অবগত থাকবেন। হুদুদ ও ফারায়েযগুলো তার জানা থাকবে।

পুলিশের লোকেরা এক ধরণের বড় ছুরি বহন করতেন সাথে। একে তবারজিন বলা হত। এছাড়া তাদের সাথে অস্ত্র বলতে থাকতো, তরবারী, বর্শা, তীর, চাবুক ও দড়ি। পুলিশ বাহিনীর কাছে মিনজানিকও থাকতো। তবে তা ব্যবহার করা হতো বড় কোনো লড়াই বা বিদ্রোহ সামাল দেওয়ার সময়। যেমন খলীফা আমীন ও মামুনের মধ্যকার লড়াইয়ে মিনজানিক ব্যবহার করা হয়েছিল। (৫)

মুসলিম শাসনামলে পুলিশবিভাগের জন্য বড় অংকের বাজেট বরাদ্দ ছিল। আব্বাসী খলীফা আবু জাফর মানসুরের সময় এই বিভাগের জন্য বার্ষিক বরাদ্দ ছিল প্রায় ৫ লাখ দিরহাম। খলীফা হারুনের শাসনামলেও বরাদ্দের পরিমাণ এমনই ছিল। খলীফা মুতাসিমের শাসনামলে পুলিশদের মাসিক বেতন ছিল ৫০ দিনার। তখন এই বিভাগে মাসিক ৬ হাজার দিনার ব্যয় করা হতো। বেতনের বাইরেও পুলিশপ্রধানদেরকে খলীফা হাদিয়া দিতেন।। খলীফা মাহদী একবার তার পুলিশপ্রধান আবদুল্লাহ বিন মালিককে ৪০ হাজার দিরহাম উপহার দেন। (৬)

পুলিশপ্রধান হতেন তীক্ষ্ম বুদ্ধির অধিকারী। এমন এক পুলিশপ্রধানের ঘটনা লিখেছেন ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যা তার ‘আত তুরুকুল হুকমিয়্যা ফিস সিয়াসাতিশ শারইয়্যাহ’ গ্রন্থে। তিনি লিখেছেন, খলীফা মুকতাফির শাসনামলে চুরি বেড়ে গেল। প্রচুর চুরি হচ্ছিল। খলীফা পুলিশপ্রধানকে আদেশ দিলেন যে করে হোক চোরদেরকে গ্রেফতার করো। আদেশ পেয়ে পুলিশপ্রধান একা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে থাকেন। একদিন তিনি একটি সংকীর্ণ, নিরিবিলি গলিতে প্রবেশ করেন। গলির একটি বাড়ির সামনে প্রচুর মাছের কাটা দেখলেন। একইসাথে মাছের মেরুদন্ডের বড় একটি কাটাও পড়ে থাকতে দেখলেন। তিনি এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, এখানে যে কাঁটা দেখা যাচ্ছে এই মাছটির দাম কেমন হবে? লোকটি জবাব দিল, এক দিনার। পুলিশপ্রধান বললেন, এই গলিতে মানুষের জীবনযাত্রার যে মান তাদের পক্ষে এক দিনার দিয়ে এই মাছ ক্রয় করা সম্ভব নয়। এখানে মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচই কুলিয়ে উঠতে পারে না। এত বড় মাছ খাওয়ার সুযোগ কই তাদের। এখানে কোনো রহস্য আছে। সেই রহস্য জানা লাগবে আমার। এই বলে তিনি গলির আরেকটি বাড়িতে গেলেন। একজন বৃদ্ধা মহিলা দরজা খুলে দিল। তিনি পানি চাইলেন। মহিলা পানি এনে দিলে পুলিশপ্রধান মহিলার সাথে গল্প জুড়ে দিলেন। কথায় কথায় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ঐ বাড়িতে কে থাকে? বলে তিনি যে বাড়ির সামনে মাছের কাঁটা দেখেছেন সেই বাড়ির দিকে ইশারা করলেন।

মহিলা বললেন, এই বাড়িতে ৫ জন যুবক থাকে। সম্ভবত তারা ব্যবসায়ী। তারা একমাস ধরে এখানে আছে। দিনের বেলা তাদেরকে দেখাই যায় না। তাদের কেউ বের হলেও দ্রুত আবার ফিরে আসে। তারা সারাদিন ঘরেই থাকে। আড্ডা দেয়, দাবা খেলে। তাদের খেদমতের জন্য অল্পবয়সী একজন চাকরও আছে। রাতের বেলা তারা কারখ শহরে তাদের আরেক বাড়িতে চলে যায়। এই বাড়িতে শুধু সেই চাকর থাকে। ভোরের দিকে তারা ফিরে আসে।

পুলিশপ্রধান মহিলাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চলে আসেন। কিছুক্ষণ পর তিনি ১০ জন পুলিশসহ সেই বাড়িতে যান। দরজায় টোকা দিতেই এক বালক ভৃত্য দরজা খুলে দেয়। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সেই বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেই পাঁচজন যুবকের সবাইকেই আটক করা হয়। ঘর তল্লাশি করতেই নিশ্চিত হলেন এরাই কিছুদিন ধরে শহরে চুরি করে আসছিল। এভাবে পুলিশপ্রধানের বুদ্ধিমত্তায় একটি রহস্যের মীমাংসা হলো।(৭)

তথ্যসূত্র :
১। সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৭১৫৫- আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বুখারী। দার ইবনু কাসির, ১৪২৩ হিজরী।
২। ফাতহুল বারি, ১৩/১৩৫ - আহমাদ বিন আলি বিন হাজার আসকালানি। আল মাকতাবাতুস সালাফিয়্যা।
৩। মা যা কদ্দামাল মুসলিমুনা লিল আলাম, পৃ- ৫০৩- ডক্টর রাগেব সিরজানি। মুআসসাসাতু ইকরা, ১৪৩০ হিজরী।
৪। আশ শুরতাহ ফিল ইসলাম, ১৩-২৮
৫। নাশআতুন ওয়া তাতওয়ারু জিহাযিশ শুরতাহ ফিদ দাওলাতিল ইসলামিয়্যাহ, পৃ- ২০১-২০৩ – ডক্টর ইসমাইল হুসাইন মুস্তফা। আম্মান, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ।
৬। আন নাফাকাত ওয়া ইদারাতুহা ফিদ দাওলাতিল আব্বাসিয়্যা, পৃ-৩৭২,৩৭৩ – ডক্টর যাইফুল্লাহ ইয়াহইয়া যাহরানি। মাকতাবাতুত তালিবিল জামি, ১৪০৬ হিজরী, মক্কা মুকাররামা।
৭। মা যা কদ্দামাল মুসলিমুনা লিল আলাম, পৃ- ৫০৬- ডক্টর রাগেব সিরজানি। মুআসসাসাতু ইকরা, ১৪৩০ হিজরী।

এমএফ/

 

: আরও পড়ুন

আরও