অনলাইনে রিটার্ন জমার পদ্ধতি
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২ | ১২ মাঘ ১৪২৮

অনলাইনে রিটার্ন জমার পদ্ধতি

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২১

অনলাইনে রিটার্ন জমার পদ্ধতি
সেবাগ্রহীতারা যাতে ঘরে বসেই আয়কর জমা দিতে পারেন সে লক্ষ্যেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনলাইনে আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা নেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

প্রাথমিকভাবে গত বছর রাজধানীর কর অঞ্চল-৬-এ শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম। এ বছর শুধু কর অঞ্চল-৬-এর করদাতারা অনলাইনে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। 

সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অবশ্য এ জন্য ওই কর অঞ্চলের করদাতাদের অনলাইনে নিবন্ধন নিয়ে তারপর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। 

রিটার্ন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন করদাতারা। অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হলে https://ereturn.taxeszone6. gov.bd ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

কিভাবে ই-রিটার্ন ফাইলিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে রিটার্ন জমা দেবেন সে বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। 

ব্রাউজারের মাধ্যমে www.taxeszone6.gov.bd ওয়েবসাইটে ঢুকলে কর অঞ্চল-৬ ওয়েবসাইট দৃশ্যমান হবে। ই-সার্ভিস মেন্যুর ই-রিটার্ন ফাইলিং সাবমেন্যুতে ক্লিক করলে ইউজার লগইন প্যানেল দৃশ্যমান হবে। ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা ইউজার নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার পর নিচের ক্যাপচা বসিয়ে লগইন করুন। লগইন করার পর একটি এন্ট্রি পেজ পাবেন। পরে আপনি ইউনিভার্সাল সেলফ পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে ইউনিভার্সাল সেলফ চেক বক্সে ক্লিক করুন। 

অথবা আপনি নরমাল পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে নরমালের চেক বক্সে ক্লিক করুন। আপনি ব্যক্তি করদাতা হলে ড্রপ-ডাউন মেন্যু থেকে ইন্ডিভিজুয়াল সিলেক্ট করুন। আপনি ফার্ম করদাতা হলে ফার্ম সিলেক্ট করুন।

এখন আপনি সাবধানতার সঙ্গে ড্রপ-ডাউন মেন্যু থেকে আপনার সার্কেল নির্বাচন করুন এবং আপনার করবর্ষ নির্বাচন করুন। আপনার আয় যদি চার লাখ টাকা পর্যন্ত হয় এবং সম্পদ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়, তবে আইটি-জিএইচএ২০২০ (এক পাতা) রিটার্ন ফরমটি নির্বাচন করুন অন্যথায় আইটি-১১জিএ (৮ পাতা) রিটার্ন ফরমটি নির্বাচন করুন। এরপর ক্লিক টু নেক্সট স্টেপ ক্লিক করে লগইন করার পর এন্ট্রি পেজ প্রদর্শিত হবে। এখানে বেশির ভাগ তথ্যই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া থাকবে। ১০ নম্বর ক্রমিকে নিয়োগকর্তার নাম বা ব্যবসা (যেখানে যা প্রযোজ্য) লেখা যাবে।

আপনি ঠিকানা পরিবর্তন করে থাকলে ১৬ নম্বর ক্রমিকে আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা নতুন করে উল্লেখ করুন। পরে মোবাইল নম্বর দেন এবং আপনার ছবি আপলোড করুন। এরপর ক্লিক টু নেক্সট স্টেপ ক্লিক করার পর একটি পেজ প্রদর্শিত হবে। আপনার বিভিন্ন আয়ের ক্ষেত্রে ক্রমিক নির্দেশিত নির্দিষ্ট ঘরে যেতে হবে। পয়েন্টার নির্দেশিত ঘরে খাতগুলোর উপখাত দেওয়া আছে। 

করদাতারা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি নির্দিষ্ট ঘরে উল্লেখ করবেন। ১ নম্বর ক্রমের বেতনাদি খাতের চিহ্নিত ঘরে ক্লিক করলে প্রয়োজনীয় উপখাতগুলোর একটি স্ক্রিন আসবে। করদাতারা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি নির্দিষ্ট ঘরে উল্লেখ করবেন। এখানে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সন্নিবেশিত করলে করযোগ্য আয় এবং কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরূপিত হবে। এভাবে সবকটি ক্রমিকে তথ্যাদি উল্লেখ করতে হবে। 

এবার ক্লিক টু নেক্সট স্টেপ ক্লিক করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণকৃত একটি স্ক্রিন আসবে। এরপর আবার ক্লিক টু নেক্সট স্টেপ ক্লিক করলে আরেকটি স্ক্রিন আসবে, যা পরিসম্পদ, দায় ও ব্যয় বিবরণী বা আইটি ১০বি নামে পরিচিত।

এসকে
 

আরও পড়ুন

আরও