ভাজার পর বাড়তি তেল ব্যবহারের টিপস
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১ | ৬ মাঘ ১৪২৭



ভাজার পর বাড়তি তেল ব্যবহারের টিপস

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:৫০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২১

ভাজার পর বাড়তি তেল ব্যবহারের টিপস
বাড়ির রেগুলার নাস্তা তৈরি হোক আর মেহেমান আসুক, বাঙালির বাড়িতে ভাজাপোড়া হবেই। কিন্তু মজা করে ভাজাপোড়া খাওয়ার পর মনে পরে বাড়তি তেলের কথা। এবার সেটা নিয়েই হিমশিম খেতে হয় গিন্নিদের। ওদিকে ডিপফ্রাই করা তেল আবার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, কিন্তু তা বলে তো এত দাম দিয়ে কেনা তেল নষ্ট করা যায় না! তাহলে এখন উপায়? কীভাবে কাজে লাগাবেন এই তেল? চলুন আপনাদের দেওয়া যাক কিছু টিপস।

লুচি, চপ, কাটলেট ভাজার পর অবশিষ্ট তেল কী করবেন? অনেকেই তা নিয়ে সন্দিহান। কিন্তু ভাজা তেল যে বারবার রান্নায় ব্যবহার করাও ঠিক নয়, সেকথা সকলের জানা। কারণ, এই তেলের সিংহভাগই হল ট্রান্স ফ্যাট, যা কোলেস্টেরলের অন্যতম কারণ। তাছাড়া বেশি তাপমাত্রায় তেল গরম করলে, তার মধ্যে আর কোনো উপকারই থাকে না। তাহলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করে ভাজাভুজির অবশিষ্ট তেল ব্যবহারের উপায় কী?

প্রথমেই বলে দিই যে, এই তেল একেবারে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নেবেন, যাতে স্ন্যাকসের কোনো গুঁড়া বা কালো কোনো অংশ তাতে না থাকে। এবার পরিষ্কার, শুকনো কন্টেনারে ঢেলে স্টোর করুন। তবে মাথায় রাখুন ৪-৫ দিনের মধ্যে এই তেল ব্যবহার করে নিতে হবে। ফেলে রাখা চলবে না!

একবার ব্যবহার করা তেল কখনোই যেন আবার স্মোকিং টেম্পারেচারে গরম না করা হয়। ডাল, তড়কা কিংবা খিচুড়িতে ফোড়ন দিতে পারেন। মাছ-মাংস ম্যারিনেটও করতে পারেন। একবার মিষ্টিজাতীয় কিছু ভাজার জন্য তেল ব্যবহার করলে, পুনরায় সেটা নোনতা কিংবা অন্য কোনো রান্নায় ব্যবহার করবেন না। এতে রান্নার স্বাদ বদলাতে পারে।

তবে হ্যাঁ মাথায় রাখবেন, যদি এই তেল কালো হয়ে যায়, তাহলে কিন্তু ফেলে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

ওএস/ইসি

 

আরও পড়ুন

আরও