জয়পুরহাটে ১২২ জন করোনায় আক্রান্ত    
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২০ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

জয়পুরহাটে ১২২ জন করোনায় আক্রান্ত    

জয়পুরহাট প্রতিনিধি ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

জয়পুরহাটে ১২২ জন করোনায় আক্রান্ত      
জয়পুরহাটে গত ১৬ এপ্রিল থেকে ৪ হাজার ৪৫৯টি নমুনা পরীক্ষায় ১২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে আইসোলেশন থেকে বাড়ি ফিরেছে ৩৩ জন।

 

উপজেলা ভিত্তিক করোনা শনাক্ত রোগীর মধ্যে রয়েছে কালাই উপজেলায় ৪৬ জন, সদর উপজেলায় ২৩ জন, আক্কেলপুরে ২৩ জন, পাঁচবিবিতে ১৬ জন ও ক্ষেতলাল উপজেলায় ১৪ জন। এনিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২২ জন। 

স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্র থেকে জানা গেছে, জেলায় এপর্যন্ত করোনা সন্দেহে ৪ হাজার ৪৫৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়ায় করোনা টেস্ট ল্যাবে পাঠানো হয়। পাঠানো নমুনার রিপোর্টে ৩ হাজার ৫৭৯ জনের নেগেটিভ আসলেও ১২২ জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। পাঠানো নমুনায় ইনভেলিড এসেছে ১৭ জনের ও পেন্ডিং রয়েছে ৭৪১ জনের। 

জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৩ হাজার ৫৬৬ জনের মধ্যে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ২ হাজার ৮২ জনকে অবমুক্ত করা হয়।  করোনা সন্দেহে এবং হোম কোয়ারেন্টাইন না মানা ১৮৫ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় যাদের মধ্যে ১৩৭ জনের করোনা নেগেটিভ ও কোয়ারেন্টাইন সম্পূর্ন হওয়ায় তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। 

জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া ১২২ রোগীকে আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ইউনিটে (সেফ অতিথিশালা) রাখা হয়। আক্রান্ত হওয়া শনাক্ত ব্যাক্তিদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে ৩৩ জন। 

করোনা চিকিৎসা বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্র থেকে জানা গেছে, জেলায় সরকারি ৪টি চিকিৎসা কেন্দ্রে ২৪০টি বেড করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। জেলায় ১৪ জন ডাক্তার ও ১৪ জন নার্স করোনা রোগীদের চিকিৎসা কাজের জন্য প্রস্তুত আছে। ব্যাক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুদ রয়েছে ২ হাজার ১৭৩ সেট ও বিতরণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৪৬ সেট। 

করোনা শনাক্ত ব্যাক্তির জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের জন্য ২টি  এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চিকিৎসক ও সেবিকাদের চলাচলের জন্য ২টি গাড়ি এবং সন্দেহভাজন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করতে  ২টি মাইক্রোবাস জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগকে দেওয়া হয়। 

জেলায় ৩টি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন ও ১টি আইসোলেশান সেন্টারের জন্য স্থানীয় তহবিলের অর্থায়নে ৫জন ল্যাব টেকনেশিয়ান, ১৪জন আনসার, ৪জন আয়া ও ৩জন বেসরকারি ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

গত ১৬ এপ্রিল জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার জিন্দাপুর গ্রামের ওবাইদুর (৪২) ও মোকলেছুর রহমান (৪৭) নামের প্রথম দুই করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপরে অনির্দিষ্টকালের জন্য জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) নতুন করে ৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে জেলায় মোট করোনায় শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১২২ জনে। এতে করে রাজশাহী বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে জয়পুরহাট জেলা। 

আরএআর/এইচকে

 

: আরও পড়ুন

আরও