প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসুন, সৎবুদ্ধি দেব: ডা. জাফরুল্লাহ
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

>

প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসুন, সৎবুদ্ধি দেব: ডা. জাফরুল্লাহ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২২

প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসুন, সৎবুদ্ধি দেব: ডা. জাফরুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি জনগণের কথা ভাবুন। আমাদের সবাইকে নিয়ে বসুন, এক কাপ চা খাওয়ান। আমরা আপনাকে সৎবুদ্ধি দেব। সর্বদলীয় সরকারের নিয়ে চলুন আলোচনা করি। এমনও মানুষ আছে যারা দলকানা নয়, যারা দেশের জন্য সৎপরামর্শ দেবে। নতুবা বাংলাদেশের অবস্থাও শ্রীলঙ্কার মতো হবে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
‘ভোজ্যতেলসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে যুব অধিকার পরিষদ।

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হুইলচেয়ারে চেপে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

নিরপেক্ষ নির্বাচনে জোর দিয়ে জাফরুল্লাহ বলেন, আমি আগেও বলেছি— একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সর্বজনীন সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। আজ আমাদের সবার উদ্যোগ হতে হবে দেশের কল্যাণে, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়, দেশকে কল্যাণকর একটি রাষ্ট্রে পরিণত করার।

গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, পৃথিবীর কোনো বিশেষজ্ঞ ধারণা করতে পারেননি শ্রীলঙ্কার জনগণ যে তুষের আগুনে জ্বলছিল, তা বিস্ফোরণে পরিণত হবে। শ্রীলঙ্কার জাতীয় বীর, আজ জাতীয় ভিলেনে পরিণত হয়েছে।

বর্ষীয়ান এ মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩৮ টাকা। তারা মনে করছে, দুই টাকা তো কমই রাখা হয়েছে। ২০০ টাকা তো আর করা হয়নি। এই জাতীয় উপহাস দেশবাসী আর কত দেখবে? আমাদের ঈশান কোণে মেঘ জমেছে, আপনারা রক্ষা পাবেন না। এখনও সময় আছে। খোদার কাছে যেভাবে মাফ চান, জনগণের কাছেও তেমনি মাফ চান।

খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন কাজ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবীরা আছেন, ভালো-ভালো কথা বলছেন। অনেক পরামর্শদাতা আছেন, যারা সৎ পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের পরামর্শ শোনা হয় কিনা জানি না। সজ্জনার বলছেন, মেগা প্রজেক্টের মায়া ছাড়েন, জনগণের কথা বলেন।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই, আমি গরিবের হাসপাতাল চালাই। যেখানে সবচেয়ে কম খরচে গরিবরা চিকিৎসা পায়। সেই হাসপাতালে ৮০ লাখ টাকা ট্যাক্স ধরা হয়েছে। এর কারণ হলো হাসপাতালের জন্য বেড, ম্যাট্রেস আমরা আমদানি করেছি। নামিদামি কোনো হাসপাতাল যদি এগুলো আমদানি করত, তাহলে ট্যাক্সই দিতে হতো না। অথচ যেহেতু আমার গরিবের হাসপাতাল তারা ৮০ লাখ টাকা ট্যাক্স ধরেছে। এই টাকা কোথা থেকে আসবে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো উত্তর আসেনি।

সমাবেশে আরও আরও উপস্থিত ছিলেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হাসন, মাহফুজুর রহমান, সোহরাব হাসান, আবু হানিফ, যুগ্ম সদস্য সচিব আতাউল্লাহ, সাইফুল্লাহ হায়দার, মশিউর রহমান, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মুনজুর মোর্শেদ মামুন, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা প্রমুখ।

এসবি

 

আরও পড়ুন

আরও
               
         
close