না ফেরার দেশে কবি অলোকরঞ্জন
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭



না ফেরার দেশে কবি অলোকরঞ্জন

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

না ফেরার দেশে কবি অলোকরঞ্জন
বাংলা সংস্কৃতিজগতের একজন পুরধা কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ৮৭ বছর বয়সী অলোকরঞ্জন দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) জার্মানিতে নিজস্ব বাসভবনে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় পরলোক গমন করেন এই কবি। কবিপত্নী এলিজাবেথ গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুসংবাদটি জানান।

১৯৩৩ সালের ৬ অক্টোবর কলকাতায় কবি অলোকরঞ্জনের জন্ম। শান্তিনিকেতনে প্রথম পাঠ সেরে অলোকরঞ্জন উচ্চশিক্ষার জন্য পা রাখেন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে।

হামবোল্ড ফাউন্ডেশান ফেলোশিপ নিয়ে অলোকরঞ্জন একসময়ে পাড়ি দেন জার্মানিতে। বাংলা ভাষার সঙ্গে জার্মান সাহিত্যের মেলবন্ধনের রূপকার তিনিই। বাংলা কবিতা জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় অনুবাদের পাশাপাশি জার্মান ভাষার কবিতাও অনুবাদ করেছেন বাংলায়।

জার্মান সরকার তাকে গ্যেটে পুরস্কারে ভূষিতও করেন। ১৯৯২ সালে মরমী কারাত কাব্যগ্রন্থটি তাকে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার এনে দেয়।

তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে অলোকরঞ্জনের ছিল এক অদ্ভুত বন্ধুতা। আজীবন সকলের বন্ধু, সদালাপী মানুষটি চলে গেলেন নিশ্চুপ ভঙ্গিতে। কিন্তু কীর্তিনাশার দেশে এই মৃত্যুর চেয়েও বড় যে পয়ারছন্দ, বহমান অক্ষরমালা। অলোকরঞ্জনকে কখনও ভুলবে না বাঙালি।

রবীন্দ্র অনুসারী কাব্যরুচি থেকে বাংলা কবিতাকে এক পৃথক খাতে বইয়ে দেয়ার শুরু পঞ্চাশের দশকে। এসময়ে যারা নিজস্ব ভাষাভঙ্গি নিয়ে লিখতে এসেছিলেন অলোকরঞ্জন ছিলেন তাদের অগ্রপথিক, কবি শঙ্খ ঘোষের পরমবন্ধু। জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়েছে ২০টির ওপর কাব্যগ্রন্থ।

এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও