করেনার টিকার অনুমোদনে ফাইজারের আবেদন
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

করেনার টিকার অনুমোদনে ফাইজারের আবেদন

পরিবর্তন ডেস্ক ২:০৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০২০

করেনার টিকার অনুমোদনে ফাইজারের আবেদন
মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় নিজেদের তৈরি টিকা যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহারের জন্য জরুরি অনুমোদন দেয়ার আবেদন করেছে মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি ফাইজার ও এর জার্মান পার্টনার বায়োএনটেক।

 

শুক্রবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) কাছে আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। খবর সিএনএনের।

এক ভিডিও বার্তায় ফাইজারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যালবার্ট বুরলা বলেছেন, অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে এবং কিছুটা স্বস্তির সঙ্গে জানাচ্ছি যে করোনার জরুরি প্রয়োগের অনুমোদনের জন্য আমরা এফডিএর কাছে অনুরোধ জানিয়েছি। অনুমোদনের বিষয়টি এখন তাদের হাতে।

তিনি বলেন, ‘আজ এক ঐতিহাসিক দিন। আজ বিজ্ঞানের জন্য এবং আমাদের সবার জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। বায়োএনটেকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের ভ্যাকসিন তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা দেওয়ার কেবল ২৪৮ দিনের মাথায় এফডিএর কাছে (ভ্যাকসিনের জরুরি প্রয়োগের) জন্য অনুমতি চাওয়া হলো।

ফাইজারের প্রধান এই নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ভ্যাকসিনটি তৈরির শুরু থেকে আজ অনুমতি চাওয়া পর্যন্ত-আমরা সবসময় সুরক্ষার দিকে লক্ষ্য রেখে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ভ্যাকসিনটি তৈরির ক্লিনিক্যাল কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।

টিকাটির উৎপাদন নিরাপদ কি-না সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কাজ। তবে এফডিএ- টিকার এই ডেটা বিশ্লেষণ করতে কতটা সময় নেবে, তা স্পষ্ট নয়। যদিও মার্কিন সরকার ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে করোনাভাইরাস টিকার অনুমোদন প্রত্যাশা করে।

করোনা মোকাবিলায় টিকার দিকে চেয়ে আছে গোটা বিশ্ব। এরমধ্যে যে কয়টি এগিয়ে গেছে বা ট্রায়ালের শেষ লগ্নে, ফাইজার-বায়োএনটেক জোটের টিকা একটি। তাদের এ টিকার ৪০ মিলিয়ন ডোজ নেয়ার জন্য প্রি-অর্ডার করে রেখেছে যুক্তরাজ্য। এরমধ্যে এ বছরের শেষের দিকে দেশটিকে ১০ মিলিয়ন ডোজ দেয়ার কথা।

ফাইজার ও বায়োএনটেক জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে যদি এফডিএ-এর অনুমোদন চলে আসে, তাহলে তারা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাশীদের টিকা বিতরণ করতে প্রস্তুত হবে।

ফাইজার-বায়োএনটেক আশাবাদী যে, আমেরিকা, জার্মানি, তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার ১৫০টি সাইটে এই টিকা পরীক্ষা শেষ লগ্নে। সংস্থা দুটি এ বছরই টিকাটির ৫০ মিলিয়ন ডোজ উৎপাদন করতে চাইছে। এবং ২০২১ সালের শেষ নাগাদ এক দশমিক তিন বিলিয়ন ডোজ পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারবে।

টিকার অগ্রগতি বিষয়ে গত সপ্তাহেও ফাইজার নতুন একটি ইতিবাচক ঘোষণা দেয়। তারা জানায়, তাদের টিকা করোনাভাইরাস থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারে। তবে বয়স্কদের (৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে) ক্ষেত্রে ৯৪ শতাংশ।

ওএস/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও