কুষ্টিয়ায় ফুলের বাজার চাঙ্গা
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

>

কুষ্টিয়ায় ফুলের বাজার চাঙ্গা

মেজবা উদ্দিন পলাশ, কুষ্টিয়া ৩:৩২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২

কুষ্টিয়ায় ফুলের বাজার চাঙ্গা
ঋতুরাজ বসন্তের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা দিবসের প্রধান উপহার ফুল। আর সে ফুলের মধ্যে সবার পছন্দ গোলাপ। তাও আবার লাল রঙের। এই ভালোবাসা দিবসে ফুলের সুবাস ছড়াবে সারা দেশসহ কুষ্টিয়া জেলাতেও। তবে এবার ফুলের বাজারের গল্পটি একটু ভিন্ন। ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় দামটাও এ যেন আকাশ ছোঁয়া। গতকালও লাল গোলাপ ফুল বাজারে বিক্রি হচ্ছিল ১৫ থেকে ২০ টাকায়। সাদা গোলাপ, হলুদ গোলাপ ও গোলাপী গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই শহরের থানা ট্রাফিক মোড়ে প্রতিটি রঙের গোলাপ ফুল বিক্রয় হচ্ছে ৭০থেকে ৮০টাকা দরে। শুধু ভালোবাসা দিবস উপলক্ষেই এবার ফুলের বাজার চারগুন বেশি। দাম বৃদ্ধিতে এ যেন ফুলের বাজার চাঙ্গা। সকাল থেকেই তরুণ-তরুণীরা ফুল কিনতে ছুটছেন শহরের থানা ট্রাফিক মোড়ের ফুলের দোকানগুলোতে এমন চিত্রই দেখা গেছে। তবে ফুলের দাম আকাশ ছোঁয়া হওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিভিন্ন রঙের গোলাপসহ সব ধরনের ফুল নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এ দিকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষেই কুষ্টিয়া শহরের ৭টি ফুলের দোকানে ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বেচা-বিক্রিও হবে বলে আশা করছেন ফুল ব্যবসায়ীরা।

থানা ট্রাফিক মোড়ের নীলা ফুল ঘরের সুজন ইসলাম বলেন, ভালোবাসা দিবসসহ বছরের বিভিন্ন দিবসে ফুলের বাজার বৃদ্ধি পায়। 
বেশি দামে কিনলে বেশি দামেই বিক্রি করি। কম দামে কিনলে কমেই বিক্রি করবো। এবার গোলাপ ফুল ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা দরে ফুল চাষিদের কাছ থেকে কিনেছি। বিভিন্ন রকমের ফুল কিনতে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ তরুণ-তরুণীরা। এবার বেচা-বিক্রিও বেড়ে গেছে। 

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আনিকা আনাম বলেন, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানানোর একমাত্র মাধ্যমই এখন ফুল। ভালোবাসা জানাতে প্রিয় মানুষকে গোলাপ ফুল ও ফুলের মালা দেবে এটাই স্বাভাবিক। সে কারণেই এখানে ফুলের চাহিদা বেড়ে গেছে। তবে এর সুযোগেই অসাধু ফুল ব্যবসায়ীরা ফুলের দাম বৃদ্ধি করছে। প্রতিটি ফুলের দাম এ যেন আকাশ ছোঁয়া। ফুল নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।