আপেল কুল চাষে সফল সিরাজগঞ্জের জুলফিকার
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

>

আপেল কুল চাষে সফল সিরাজগঞ্জের জুলফিকার

এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ ৭:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২২

আপেল কুল চাষে সফল সিরাজগঞ্জের জুলফিকার
জুলফিকার আলী কাজীপুর উপজেরার বীর শুভগাছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি বর্তমানে তিনি একজন সফল কুল চাষি।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের খাগা গ্রামের জুলফিকার আলী সাড়ে ৭ বিঘা জমিতে আপেল কুল চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি কাশ্মীরি জাতের আপেল কুল চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন।

সরে জমিনে জানা যায়, খাগা গ্রামের জুলফিকার আলী ২০০৯ সাল থেকে আপেল কুল চাষ করে আসছে। সাড়ে ৭ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে তিনি এই কুল চাষ করছেন। ২০০৯ সালে ১০০ চারা দিয়ে শুরু করেন। আজ তার বাগানে ২৫০ টি গাছ রয়েছে। প্রতি বছর এই গাছ গুলো পরিচর্যা ও জমির খরচ হয় প্রায় ২লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর প্রতি বছরে ফল বিক্রি করে ৫লাখ ২০/৩০ হাজার টাকা। 

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক জুলফিকার আলীর কুল চাষ দেখে এলাকার লোকজন উৎসাহিত হচ্ছে। অনেকেই কুল চাষে এগিয়ে আসছে। অনেকেই তাকে দেখে কুল চাষে শুরু করেছেন। যে কেউ তার কাছ থেকে সহযোগিতা গ্রহণ করতে পারে।

কুল চাষী জুলফিকার আলী বলেন, ২০০৯ সালে ৬৫ হাজার টাকায় সাড়ে ৭ বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে কুল চাষ করে আসছি। প্রতি বছর জমির ভাড়া ও বাগান পরিচর্যায় প্রায় ২লাখ ৭০ হাজার টাকা খচে হয়ে থাকে। প্রথম দুই বছর খুব একা লাভ করতে পারিনি। কারণ প্রথম অবস্থায় বুঝতে পারিনি। আস্তে আস্তে এখন সব ঠিক হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গাছে ২০ থেকে ২২ কেজি আপেল কুল ধরেছে। প্রতিকেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি করছি। দামটাও বেশ ভাল পাচ্ছি। কুল দেখতে সুন্দর আবার খেতেও খুব মিষ্টি হয়েছে। বাগান থেকে কুল সরাসরি পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সদর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুস্তম আলী জানান, সিরাজগঞ্জ সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় উন্নত জাতের আপেল কুলের চাষ হচ্ছে। জুলফিকার আলী এখন অভিজ্ঞ কুল চাষী। আপেল কুল চাষে সফলতা পেয়েছে। কৃষি অফিস থেকে সার্বিক সহযোগীতা করা হচ্ছে। তাকে আরো মানুষ এই কাজে উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন এই কর্মকর্তা।

এএইচএ
 

আরও পড়ুন

আরও
               
         
close