টাঙ্গাইল-৭ উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

>

টাঙ্গাইল-৭ উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ১০:০০ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২২

টাঙ্গাইল-৭ উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

জেলায় প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএমের মাধ্যমে এ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছে স্থানীয় ভোটাররা। আর এ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করেননি। 

শীত উপেক্ষা করে সকল বয়সী নারী-পুরুষ ভোটাররা দীর্ঘক্ষন লাইনে দাড়িয়ে থেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে এসেছেন। সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিত লক্ষ করা গেছে। আবার কিছু কিছু কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিত তেমন দেখা যায়নি। 

এদিকে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচনী এলাকায় একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৪ প্লাটুন বিজিবি, ৮১০জন পুলিশ সদস্য ও ১০টি র‌্যাবের মোবাইল টিম, প্রায় সাড়ে ১৮শ’ আনসার সদস্যসহ পর্যান্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। 

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এ উপনির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ (নৌকা), জাতীয় পার্টির জহিরুল হক জহির (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির গোলাম নওজব, চৌধুরী (হাতুড়ি), বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী (ডাব) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরু (মোটরগাড়ি, কার)।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র আরো জানায়, এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০১ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৮ জন। ৫ জন হিজরা ভোটার রয়েছেন। মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১২১টি। এর মধ্যে ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র ৫৭টি, সাধারণ কেন্দ্র ৬৪টি। আর নির্বাচনে ভোট কক্ষ রয়েছে ৭৫৬টি। নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসার মিলিয়ে ১৯ থেকে ১৮ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে র‌্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করছে। অপরদিকে প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স ও একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, নির্বাচনে পুলিশের ৮১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ৫০জন এপিবিএন পুলিশ সদস্য রয়েছে। পুলিশের ১৬টি মোবাইল টিম, ৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং ৮টি ডিবির টিম দায়িত্বে রয়েছে। আশা করছি সকলের প্রচেষ্টায় একটি অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

এ আসনের নির্বাচনের সহকারী রিটানিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, শাস্তিপূর্ণভাবে ব্যাপক কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে৷ নির্বাচনে পর্যাপ্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনে ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে আনসার এবং পুলিশ মিলিয়ে কেন্দ্রে ১৯ জন এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর এ আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন মারা গেলে আসনটি শুন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

এএইচএ
 

আরও পড়ুন

আরও
               
         
close