বগুড়ায় গৃহবধু রুমি হত্যার ১১ মাস পর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৩ কার্তিক ১৪২৮

বগুড়ায় গৃহবধু রুমি হত্যার ১১ মাস পর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

বগুড়া প্রতিনিধি ৮:১৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

বগুড়ায় গৃহবধু রুমি হত্যার ১১ মাস পর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট
দীর্ঘ ১১ মাস পর বগুড়ার আদমদীঘিতে নিহত গৃহবধু রুমি আক্তার (২০) এর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পুলিশের হাতে পৌঁছেছে। গত বুধবার আসা রিপোর্টে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় নিহতের মা ছাতারবাড়ি গ্রামের আদরী বিবি বাদী হয়ে যৌতুকের জন্য মারপিট ও  গর্ভপাত ঘটিয়ে হত্যা করার অভিযোগে স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির ৪ জনের বিরুদ্ধে গত ২২ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে  একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

সন্ধ্যায় পুলিশ নিহতের স্বামী আদমদীঘি উপজেলার ছাতারবাড়িয়া গ্রামের হাসান প্রামানিক (২২), শ্বশুর আমজাদ হোসেন (৫০) ও ভাসুর আনছার আলী (২৬)কে গ্রেফতার করেছে। 

পুলিশ জানান, আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইউনিয়নের ছাতারবাড়ি গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে হাসান প্রামানিকের সাথে প্রায় দেড় বছর আগে একই গ্রামের এমদাদুল হক দুদুর মেয়ে রুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী শ্বশুর ও ভাসুরের সাথে পারিবারিক কলহ ছিল রুমির। কলহের কারণে নিহত রুমির স্বামী হাসান  প্রামানিকের  সাথে বিরোধ চলছিল। 

গত ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর সকালে  গৃহবধু রুমি আক্তারের লাশ তার স্বামীর বাড়ির দোতলা ঘরের একটি কক্ষ  থেকে পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া মর্গে প্রেরণ করে। 

আদমদিঘী থানার এস আই সোলায়মান জানান, গৃহবধূ রুমি আক্তারের মৃত্যুর ১১ মাস পর গত ২২ সেপ্টেম্বর পুলিশের নিকট ময়নাতদন্ত রিপোর্ট  পৌঁছে। রিপোর্ট গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এসবিসি 
 

আরও পড়ুন

আরও