ফেনীতে ব্যবসায়ী কায়সার হত্যার দায়ে স্ত্রী শাহনাজের যাবজ্জীবন
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ৩ কার্তিক ১৪২৮

ফেনীতে ব্যবসায়ী কায়সার হত্যার দায়ে স্ত্রী শাহনাজের যাবজ্জীবন

ফেনী প্রতিনিধি ৬:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

ফেনীতে ব্যবসায়ী কায়সার হত্যার দায়ে স্ত্রী শাহনাজের যাবজ্জীবন
বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী কায়সার মাহমুদ হত্যার দায়ে স্ত্রী শাহনাজ নাদিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছা বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ড ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো একমাস কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় নাদিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ বলেন, কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি কায়সার হত্যা মামলায় শাহনাজ নাদিয়া জড়িত। আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এ ধরনের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে কেউ অপরাধ করতে সাহস করবে না। 

আসামীপক্ষের আইনজীবী আহসান কবির বেঙ্গল জানান, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নির্ভর করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা যথাযথ রায় পাইনি। অচিরেই উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

কায়সার মাহমুদের ভগ্নিপতি সাইফ উদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রত্যাশা অনুযায়ী রায় পাইনি। এ রায়ে কায়সার মাহমুদের পরিবার আশাহত হয়েছে। নাদিয়া আত্মস্বীকৃত খুনী। তার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড  হওয়া উচিত ছিল। কায়সারের পরিবারের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপীল করা হবে।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১১ এপ্রিল রাতে স্ত্রীকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে শহরের পুরাতন রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন সড়কের ভূঞা বাড়ি সংলগ্ন স্থানে পুকুর পাড়ে নির্জন স্থানে খুন হন কায়সার মাহমুদ। এ ঘটনায় তার বাবা আবুল খায়ের বাদি হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। 

২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু হয়। 

গ্রেফতারের পর তার স্ত্রী শাহনাজ নাদিয়া ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট খায়রুল আমিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ আদেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছা।

এসবিসি 
 

আরও পড়ুন

আরও