তাড়াশে কাঁচা সড়কের বেহাল দশা
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৩ কার্তিক ১৪২৮

তাড়াশে কাঁচা সড়কের বেহাল দশা

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ ১:১৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

তাড়াশে কাঁচা সড়কের বেহাল দশা
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের ৮টি গ্রামীণ সড়ক পাকাকরণ না হওয়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় এলাকার কয়েক হাজারো মানুষ।

রাস্তাগুলো হলো উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের পৌষার থেকে গুয়ারাখি ও কুমারপাড়া তিন কিলোমিটার, পৌষার থেকে মাধাইনগর বাজার সাড়ে ৪ কিলোমিটার, সরাপপুর পাকার মাথা থেকে কালীবাড়ি বাজার সাড়ে ৪ কিলোমিটার, চিভোগ থেকে কালিবাড়ি ৩ কিলোমিটার, সরাতলা থেকে মাদারজানি হয়ে মাধাইনগর ৪ কিলোমিটার ও খোর্দমাধাইনগর গ্রামের ৩ কিলোমটার সড়ক। সড়কগুলোর অবস্থা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। 

প্রায় ১৯ কিলোমিটার এই কাঁচা সড়কগুলো পাকাকরণ না হওয়াতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের যেনো শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলে কাঁদা পানিতে চলাচলকারী মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। ফলে যানবাহন তো দূরের কথা মানুষের পায়ে হেঁটে চলতেও পোহাতে হয় নানান ভোগান্তি। এ কাঁচা সড়কগুলো সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ না থাকায় নিয়মিত চরম ভোগান্তীতে পড়ছেন এলাকাবাসী।

এদিকে, বর্ষার মৌসুমে এ রাস্তাগুলোর করুণ অবস্থা দেখার যেনো কেউ নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রায় দশ সহস্রাধিক মানুষের চলাচল এ সড়কে। বেহাল দশার কারণে বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কগুলো দিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ চলাচল করছেন। 

অন্যদিকে এলাকার মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ সড়কগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ। সড়কগুলো দীর্ঘদিন থেকে পাকাকরণের দাবি স্থানীয় এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ৮টি কাঁচা রাস্তা সামান্য বৃষ্টি হলেই একেবারে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বৃষ্টির ফোটা পড়ার পরেই কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। কাঁদায় চলতে গিয়ে অনেকেই পা পিছলে পড়ে গিয়ে গন্তব্য যাবার আগেই বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হন। 

শিক্ষার্থীরা সময় মতো স্কুল কলেজে যেতে পারে না। উপজেলার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র জনগুরুত্বপূর্ণ এই গ্রামীণ সড়কগুলো।

উপজেলার খোর্দ্দমাধাইনগর গ্রামের বান্দিা মিলন কুজুর জানিয়েছেন, এ অঞ্চলের সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষকে পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে। প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের এই সড়কগুলো দিয়ে চলাচল করতে হয়। 

তিনি আরও জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণের কারণে পুরো সড়কটি কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল এবং কিছু জায়গায় বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। ফলে মানুষকে জুতা খুলে পথ চলতে হচ্ছে। সড়কে কাঁদা থাকায় এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে সময় মতো নিতে না পারায় বড় ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

একই ইউনিয়নের গুয়ারাখি গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও বিলাসপুর গ্রামের সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, পৌষার থেকে বিলাশপুর হয়ে গুয়ারাখি পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তার ভগ্নিদশা। চলাচলের অনুপযোগী। তাই বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিয়ে আশ্বাস মেলে কিন্ত বাস্তবায়ন মেলে না। 

তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সায়েদ জানিয়েছেন, আস্তে আস্তে উপজেলার প্রায় সকল রাস্তায় পাকাকরণ করা হবে। 

এসকে
 

আরও পড়ুন

আরও