ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে জাতীয়ভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১ | ৬ মাঘ ১৪২৭

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে জাতীয়ভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২১

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে জাতীয়ভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে জাতীয়ভাবে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানান, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা আগামী ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে আসবে। রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি থেকে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে জাতীয়ভাবে টিকা দেওয়া শুরু হবে। ২৫ লাখ নয়, প্রথম দফায় দেশে করোনার টিকা দেওয়া হবে ৫০ লাখ মানুষকে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ১৮ বছরের নিচে এবং গর্ভবতী নারীদের টিকা দেওয়া হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন নার্স থাকবেন, যারা টিকা দেবেন। থাকবেন ৪ জন স্বেচ্ছাসেবী। রেজিস্ট্রেশন করার পর এসএমএস করে টিকা নেওয়ার দিন ও সময় জানানো হবে।

খুরশীদ আলম বলেন, বেক্সিমকো ফার্মা আমাদের জানিয়েছে, আগামী ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে এই টিকা বাংলাদেশে আসবে। টিকা আসার পর দুই দিন বেক্সিমকোর ওয়্যারহাউজে থাকবে। সেখান থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের তালিকা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আগে সিদ্ধান্ত ছিল প্রথম ডোজের পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৮ দিন পর। এখন ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ পর। এ বিষয়ে এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, এর আগে আমাদের জানানো হয়েছিল প্রথম ডোজ দেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। তবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার নতুন তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ডোজ দেওয়ার দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে। গতকাল নতুন নিয়ম জানার পর আমরা পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছি। এ কারণে প্রথম মাসেই একসঙ্গে ৫০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। প্রথম যে ৫০ লাখ টিকা আসবে তা দিয়ে দেওয়া হবে। দুই মাসের মধ্যে আরও টিকা চলে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বক্তব্য রাখেন।

কেএমএম/

 

আরও পড়ুন

আরও