ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাতিল
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাতিল

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:৪১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২১

ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাতিল
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) হচ্ছে না ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ।
রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রকল্প বাতিলের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  

সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন।

তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি ভিত্তিক নির্মাণ প্রকল্প বাতিলের প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটা পিপিপিতে হবে না। 

এখানে একশ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে, তারপর এটি বাতিল হলো কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওটা একটা ফিজিবিলিটি স্টাডি ছিল। সেজন্য টাকাটা গচ্ছা যায়নি। খরচ হওয়া টাকাটা গচ্ছা থেকে বাঁচিয়েছে। যেকোন কাজের তো ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হবে। এই টাকা জিওবির হয়। এটি নিয়ে আজকের সভায়ও আলোচনা হয়েছে, সেখানে বলা হয় ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়েছে। 

যেহেতু জাতীয়  মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নীত করা হবে এবং পাশে সার্ভিস লাইন নির্মাণ করা হবে। সারাদেশব্যাপী এটা হচ্ছে। সরকার এটি করবে, এটাই হচ্ছে মূল সিদ্ধান্ত। এটা পিপিপিতে হওয়ার কথা ছিল। এখন পিপিপিতে হচ্ছে না।’

এক্সপ্রেসওয়ের পরিবর্তে বিদ্যমান চার লেন মহাসড়ককে প্রশস্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

ঢাকা–চট্টগ্রাম চার লেন মহসড়কটি–ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয় অনেক আগেই। এর মধ্যে দুটি হওয়ার কথা ছিল এক্সপ্রেসওয়ে।

২১৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের নতুন এক্সপ্রেসওয়েটি বর্তমানে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশেই নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ এ এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

বর্তমানে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত আট লেন রয়েছে। যে কারণে কাঁচপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। 

ওএস/এসবিসি 
 

আরও পড়ুন

আরও