‘সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি’
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১৩ কার্তিক ১৪২৮

‘সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০২১

‘সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার ভুল করলে, দায়িত্বশীলরা ভুল করলে অবশ্যই সেগুলো সংবাদপত্রে আসবে। প্রধানমন্ত্রী সমালোচনায় বিশ্বাসী। সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি, প্রধানমন্ত্রী লালন করেন।
বুধবার সকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আজকের বিজনেস বাংলাদেশের ৫ম বর্ষে পদার্পণ এবং ডেইলি বাংলাদেশ আপডেটের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

সংবাদপত্রের বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, টেলিভিশনের পাশাপাশি আমরা সংবাদপত্রেও শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছি। অনেক পত্রিকা আছে হঠাৎ বের হয়; হঠাৎ বৃষ্টির মতো। ইতোমধ্যে এমন ২১০টি সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসকদের বলে দিয়েছি। আরও প্রায় ২শ পত্রিকা আছে যেগুলো বের হয় না। এগুলোর বিষয়েও আমরা শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। 

তিনি বলেন, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গত সাড়ে ১২ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। রেকর্ডসংখ্যক সংবাদপত্র, টিভিচ্যানেল ও অনলাইনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।

টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন টেলিভিশন চ্যানেলের ক্রম ঠিক করে দেয়া হয়েছে। আগে এখানে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ছিল। এছাড়া আগে বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বিদেশি চ্যানেলে প্রচারিত হত। এতে দেশিয় চ্যানেলগুলো বঞ্চিত হতো। পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাত। টেলিভশনে ক্লিনফিড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সব দেশেই ক্লিনফিড আছে। কিন্তু আমাদের দেশে আগে থেকেই আইন থাকলেও ক্লিনফিড মানা হতো না। আমরা কঠোরভাবে ক্লিনফিড বাস্তবায়ন করছি। 

গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের বিকাশ রাষ্ট্রের বিকাশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একটি রাষ্ট্রে যদি বহুমাত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে হয় তাহলে গণমাধ্যমের বিকাশ আবশ্যক। গণমাধ্যমের বিকাশ ছাড়া রাষ্ট্রের বিকাশ সম্ভব নয়। একটি মুক্ত গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। 

আজকের বিজনেস বাংলাদেশ ও ডেইলি বাংলাদেশ আপডেটের সম্পাদক মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম খান এমপি, অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সময়ের আলোর নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশীদ, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, আবু সালেক মো. সেলিম রেজা সৌরভ প্রমুখ। 

উল্লেখ্য মো. মেহেদী হাসানের সম্পাদনায় ‘উন্নয়ন সমৃদ্ধির প্রতিদিন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলা দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ। আজকের বিজনেস বাংলাদেশ মূলত অর্থনীতির কাগজ হিসেবে রাষ্ট্রের অর্থ-বাজার-বাণিজ্য, সম-সাময়িক বাংলাদেশ এবং বিশ্বকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। অন্যদিকে একই হাউজ থেকে ডেইলি বাংলাদেশ আপডেট নামে নতুন একটি ইংরেজি দৈনিক যাত্রা শুরু করল।

এসবি
 

আরও পড়ুন

আরও