মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরলেন ১০৪ বাংলাদেশি
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরলেন ১০৪ বাংলাদেশি

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০২০

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরলেন ১০৪ বাংলাদেশি
অনেক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার পর গৃহযুদ্ধকবলিত ও সংঘাতপূর্ণ ইথিওপিয়ার তিগ্রাই প্রদেশের রাজধানী ম্যাকেলে আটকেপড়া ১০৪ প্রবাসী বাংলাদেশিকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সবাই নিরাপদ এবং সুস্থ আছেন।

রোববারের মধ্যে তাদের রাজধানী আদ্দিস আবাবায় পৌঁছানোর কথা। যত দ্রুত সম্ভব তাদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে জাতিসংঘ।

উদ্ধার হওয়া সবাই বাংলাদেশের পোশাক খাতের বড় শিল্প গ্রুপ ডিবিএলের ইথোপিয়া কারখানায় কর্মকর্তা ছিলেন। তাদের সঙ্গে চারজন ইতালি নাগরিকও রয়েছেন। ঢাকায় ডিবিএল গ্রুপের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম রহিম ফিরোজ শনিবার রাতে বলেন, উদ্ধার হওয়া তাদের সব কর্মী জাতিসংঘের সহযোগিতায় ম্যাকেলে থেকে নিরাপদে ফিরেছেন। দুটি বাসে এখন তারা আদ্দিস আবাবার পথে রয়েছেন। টেলিফোন ও ইন্টারনেট যোগাযোগের আওতায় আসার পর পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা। এখন আর কোনো সমস্যা নেই। আদ্দিস আবাবায় পৌঁছার পর বিমানযোগে তাদের ঢাকায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিগ্রাই অঞ্চলের আঞ্চলিক বিদ্রোহী দল টিগারি পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সেনাক্যাম্পে হামলা চালালে সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হয়। টেলিফোন ও ইন্টারনেটসহ সব যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে অন্যদের সঙ্গে ডিবিএলের এই ১০৪ কর্মী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

ইথিওপিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক ফেসবুক বার্তায় বলা হয়, যুদ্ধকবলিত তিগ্রাই অঞ্চলে থাকা বাংলাদেশিরা সবাই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের সহযোগিতা দিচ্ছে।

ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ জব্বার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আটকেপড়াদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা। এছাড়া জাতিসংঘ মিশন, ইথিওপিয়ার বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।

ম্যাকেলের ডিবিএলের কারখানায় দুই হাজার শ্রমিক কাজ করেন। তারা সবাই স্থানীয় ইথিওপিয়ান। বাংলাদেশিরা সুপারভাইজার, প্রকৌশলী, হিসাবরক্ষকসহ বিভিন্ন পদে কাজ করতেন।

এ ঘটনার পর কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে এম রহিম ফিরোজ বলেন, আপাতত বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে আনার কথাই ভাবছেন তারা। পরিস্থিতি বুঝে কারখানার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ওএস/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও