এক কোয়া রসুনের ঔষধি গুণ
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭

এক কোয়া রসুনের ঔষধি গুণ

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৫১ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০

এক কোয়া রসুনের ঔষধি গুণ
রান্নার জন্য মশলা হিসেবে আর কিছু ব্যবহার হোক বা না হোক পেঁয়াজের পর রসুনের নাম এমনিতেই চলে আসে। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও রসুন অনেক উপকার করে থাকে আমাদের। এটা কী আমরা জানি? না জাননেও সমস্যা নেই। আজ আমরা জেনে নিবো মশলা হয়েও রসুন আমাদের শরীরে কিভাবে ঔষধের মতো কাজ করব। আসুন তাহলে জেনে নেই।

সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, এক কোয়া রসুন নাকি সারাতে পারে অনেক রোগ।

তবে সত্যিই কি তাই? এত মশলা থাকতে খালি পেটে রসুন খাওয়া কী আসলেই উপকারী?

এটি সত্যি খুব উপকারী। প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই রসুন অনেক উপকারী।

অনেক সময় পেট খালি থাকার পর এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালি পেটে রসুন খেলে উপকার পাওয়া যায় বেশি।

আসুন জেনে নিই সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে যেসব উপকার পাওয়া যাবে-

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ রসুন রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও করে রসুন।

২. সকালে খালি পেটে রসুনের কোয়া খেলে সারা রাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ উন্নত হয়। এছাড়া শরীরের দূষিত টক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।

৩. শীতে ঠাণ্ডা লাগলে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে উপকার পাওয়া যাবে। দুই সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।

৪. হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রসুন বিশেষ কার্যকর। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশির দেয়ালে চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৫. রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তনালির ওপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীর ডায়েটে রাখতে পারেন রসুন।

৬. যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এছাড়া পেটের নানা সমস্যাও হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন ভালো কাজ করে।

৭. ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ যেমন- ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে করে।

৮. স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম রসুন।

৯. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷

১০. টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০–১৫ শতাংশ কমে যায়৷ তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনো ভূমিকা নেই৷

তো জানলেন তো সুস্থ থাকতে মুঠি ভরে ঔষধ খাওয়ার চাইতে আগে প্রাকৃতিক উপায়ে নিজেকে সুস্থ করার চেষ্টা করুন। আর রসুন যেহেতু হাতের কাছেই থাকছে তাহলে চেষ্টা করতে তো দোষ নেই


ইসি/এইচকে

 

: আরও পড়ুন

আরও