স্বাধীনতা জাদুঘর, ভোলা
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

স্বাধীনতা জাদুঘর, ভোলা

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:২১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২১

স্বাধীনতা জাদুঘর, ভোলা
ভোলা জেলার সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় বাংলাদেশ সৃষ্টির স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত ‘স্বাধীনতা জাদুঘর’ ভোলাবসীর জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান ও বিনোদন কেন্দ্র। ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সে তোফায়েল আহমেদ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রায় এক একর জমির উপর নির্মিত জাদুঘরটির ডিজাইন করেছেন দেশের স্বনামধন্য স্থপতি ফেরদৌস আহমেদ। এ জাদুঘরটির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। 

এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন, ৬৬ সালের ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ভিডিও আকারেও দর্শনার্থীরা তা উপভোগ করতে পারেবেন। রয়েছে ঐতিহাসিক বিভিন্ন দুর্লভ ছবি।

তিন তলা বিশিষ্ট স্বাধীনতা জাদুঘরটির প্রথম তলায় প্রদর্শনীর জন্য থাকছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবিহকতায় বঙ্গভঙ্গ, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, দেশ ভাগ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস। দ্বিতীয় তলাকে সাজানো হয়েছে ভাষা আন্দোলনের পথ বেয়ে স্বাধীনতার ইতিহাসের আলোকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণসহ সব লড়াই সংগ্রামের ইতিহাসে। এছাড়া তৃতীয় তলায় রয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রাম ও অর্জনের কালের সাক্ষী, জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের সংগ্রামী অভিযাত্রার কথা।

কিভাবে যাবেন
ভোলা যাবার জন্যে লঞ্চ পথ বেছে নেওয়াটাই উত্তম। শুধু সদরঘাট পর্যন্ত যানজট এড়িয়ে কোনো মতে লঞ্চে উঠে পড়তে পারলেই তারপরের জার্নিটুকু আরামদায়ক। 

ভোলা যাবার জন্যে লঞ্চের তথ্যগুলো:
এম.ভি ভোলা এবং এম.ভি সম্পদ: ঢাকা অফিস: ০২৮১৮৯৩০৪, ভোলা অফিস: ০৪৯১ ৬১২৩৬, ৩/এ, হাসান টাওয়ার ১০ম তলা, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
এম.ভি কর্ণফুলী: ঢাকা অফিস: ০১৭১২২৮১৭৮৭, ০১৭১৬৯১০৫৫১, ভোলা অফিস: ০১৭১২০৩৬৭৭৯

 এম.ভি লালী: ঢাকা অফিস: ০১৭১১৪২০৪২৭, ভোলা অফিস: ০১৭১১৯০৫৪৭১
সড়ক পথেও ভোলা যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকা থেকে লক্ষীপুর পর্যন্ত যেতে হবে। এরপর সী-ট্রাকে করে নদী পার হতে হবে। লক্ষীপুর থেকে ভোলা পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টায় সী-ট্রাক ছেড়ে যায়। বাস সার্ভিসের জন্যে যোগাযোগ করুন:

ঢাকা এক্সপ্রেস (হিনো চেয়ারকোচ সার্ভিস), ঢাকা বুকিং অফিস: জনপথ, সায়েদাবাদ, ফোন: ০২৭৫৪৫৮৩৮, রায়পুর (লক্ষীপুর): ০১৭১৬৯৩০৩৮২
ইকোনো পরিবহন: জনপথ, সায়েদাবাদ
ভোলায় থাকার ভালো হোটেল:
হোটেল জেড ইন্টারন্যাশনাল: সদর রোড, জিয়া সুপার মার্কেট। ফোন: ০৪৯১ ৬১০০৯

হোটেল আফরোজ: সদর রোড। ফোন: ০১৭৫৮৬৭৭৩৩৮, ০৪৯১ ৬১৩৪৪
হোটেল হাবিব: হাবিব সুপার মার্কেট, ৩য় তলা, মহাজন পট্টি, সদর রোড। ফোন: ০১৭১৮৮৫২১১৬, ০১৮৩২২০৫৫৪৬
হোটেল রয়্যাল প্যালেস: চকবাজার। ফোন: ০১৭২৭০০৯৮৯৭, ০৪৯১ ৬১৭০৪

মনপুরা দ্বীপে ঘুরতে যেতে হলে ভোলা সদর থেকে যাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে মোটর সাইকেল চালক জনাব শাহজাহানের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন: ০১৭৪০৫৫৭৬৫৮

তথ্য: tourtoday

ইসি
 

আরও পড়ুন

আরও