বাড়ন্ত শিশুদের ত্বকের যত্ন
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ২ কার্তিক ১৪২৮

বাড়ন্ত শিশুদের ত্বকের যত্ন

পরিবর্তন ডেস্ক ১:৪০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১

বাড়ন্ত শিশুদের ত্বকের যত্ন
অনেক সময় দেখা যায়, বাড়ন্ত শিশুদের ত্বকের যত্নেও আমরা বড়দের স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। প্রাপ্তবয়স্কদের ও শিশুদের ত্বক যেহেতু আলাদা, তাই তাদের স্কিনকেয়ারের প্রোডাক্টও হওয়া উচিৎ ভিন্ন। শুধুমাত্র ত্বকের জন্য নিরাপদ প্রোডাক্টই শিশুদের ত্বকের জন্য ব্যবহার করা উচিত। আজকের লেখাটি বাড়ন্ত শিশুদের ত্বকের যত্ন নিয়েই। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।

বাড়ন্ত শিশু অর্থাৎ যখন থেকেই শিশুরা হাঁটতে শিখে তখন থেকেই শুরু হয় তাদের দুরন্তপনা। আর ২ বছর থেকে ৮ বছর পর্যন্ত সব শিশুরাই কিছুটা চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। আর তাই তাদের পরিষ্কার রাখাটাও অনেক কষ্টের কাজ। এ সময় শিশুদের দুষ্টুমি, খেলাধুলা, বাইরে যাওয়া সহ সবকিছুতেই আগ্রহ বেশি থাকে। তাই রোগ-জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি থাকে। 

কিন্তু এর জন্য খেলাধুলা, দৌড়ঝাঁপে বাঁধা দেয়া যাবে না। খেলা শেষে ও বাহির থেকে ফেরার পর অবশ্যই হাত-পা পরিষ্কার করিয়ে দিন। খেলার সময় শিশু ঘেমে যাচ্ছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ঘেমে গেলে বা গরম লাগলে ভারী কাপড়ের বদলে পাতলা কাপড় ব্যবহার করুন।

বাচ্চারা অনেক সময় গোসল করতে চায়না। কিন্তু বাড়ন্ত শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গোসলের সময় শিশুর ত্বকের উপযোগী মাইল্ড সোপ ব্যবহার করতে হবে। সাবান ব্যবহার না করলে বডিওয়াশ বা শাওয়ার জেল ব্যবহার করতে পারেন। 

ভেজা ত্বকে পাউডার লাগানো উচিৎ নয়। তাই গোসলের পর গা শুকানো জন্য পর্যাপ্ত অপেক্ষা করতে হবে। শিশুদের জন্য অবশ্যই বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা উচিত, যা কোমল ত্বকের কোনো ক্ষতি না করে।

শিশুদের ত্বকের যত্নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, শিশুর ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখা। অনেক সময় শিশুদের ত্বক ড্রাই হওয়ার কারণে ত্বক ফাটা সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই গোসলের পরে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতাকে লক করতে হয়। 

শিশুদের ত্বক পাতলা হওয়ায় রোদে বের হওয়ার সময় শিশুকে উপযুক্ত লম্বা হাতাওয়ালা পোশাক, বড় প্যান্ট, টুপি দিয়ে ঢেকে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। শিশু সান সেন্সেটিভ হলে বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন।

শিশুদের ত্বকের ভাঁজগুলোতে ঘামের কারণে গরমে ঘামাচি ও র্যারশ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সেক্ষেত্রে  শিশুর পোশাক নরম, ঘাম শোষণকারী এবং আরামদায়ক হওয়ায় উচিত। ঢিলেঢালা সুতির পোশাকগুলো পরানোই ভাল। সিন্থেটিক কাপড় ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। এগুলো বাচ্চাদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে এবং অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।

নতুন কেনা শিশুর পোশাক এবং চাদর ব্যবহারের আগে সব সময় ধুয়ে নেয়া উচিত। এগুলো দেখতে পরিষ্কার মনে হতে পারে, তবে এগুলোকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য মৃদু, সুগন্ধিমুক্ত কোমল ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলা উচিত।

ইসি
 

আরও পড়ুন

আরও