পরকীয়ার বলি শিশু সামিউল, রায় ৮ ডিসেম্বর
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১ | ৭ মাঘ ১৪২৭

পরকীয়ার বলি শিশু সামিউল, রায় ৮ ডিসেম্বর

আদালত প্রতিবেদক ১১:২০ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২০

পরকীয়ার বলি শিশু সামিউল, রায় ৮ ডিসেম্বর
রাজধানীর মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিংয়ের শিশু খন্দকার সামিউল আজিম ওয়াফিকে (৫) শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৮ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর ফারুক উজ্জামান ভূঁইয়া (টিপু) বলেন, এদিন মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ধার্য ছিল। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা আশা করছি। আদালত যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মামলাটিতে শিশু সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা জামিনে ছিলেন। গত ধার্য তারিখে তিনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। কিন্তু আজকে তিনি আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আর এশার প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩) পলাতক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর সঙ্গে মায়ের অনৈতিক কোনো ঘটনা দেখে ফেলায় ২০১০ সালের ২৩ জুন শিশু সামিউলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে ফ্রিজে ঢোকানো হয়। পরে লাশটি বস্তায় ঢুকিয়ে ২৪ জুন রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। হত্যার শিকার সামিউল রাজধানীর মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিংয়ের গ্রিনউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংলিশ মিডিয়ামে প্লে গ্রুপের ছাত্র ছিল।

২৪ জুন সামিউলের লাশ আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা কে এ আজম বাদী হয়ে ওইদিনই আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ওসি কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

এ মামলায় এশা এবং বাক্কু উভয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এমআই/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও