ডোমের সহকারী মুন্নার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ডোমের সহকারী মুন্নার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

আদালত প্রতিবেদক ৭:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০২০

ডোমের সহকারী মুন্নার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
মর্গে মরদেহের সঙ্গে শারীরিক সংসর্গের অভিযোগে গ্রেফতার ডোমের সহকারী মুন্না ভগত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিউটন কুমার দত্ত আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন মুন্না। তিনি দুই-তিন বছর ধরে মর্গে থাকা মরদেহের সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ করে আসছিলেন, এমন অভিযোগে অভিযান চালিয়ে মুন্নাকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

এ ঘটনায় সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক জেহাদ হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মুন্নার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। তিনি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের পাশেই একটি কক্ষে থাকতেন।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই-তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই-তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকতো।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেফতার হওয়া মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন কাজ করার কথা নয়।

এমআই/এসবি

 

আরও পড়ুন

আরও