নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার তদন্তে পিবিআই
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০ | ১৫ কার্তিক ১৪২৭

নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার তদন্তে পিবিআই

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৫৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৪, ২০২০

নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার তদন্তে পিবিআই
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে ধর্ষণ মামলার বাদী সম্পর্কে মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি আমলে নিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামস জগলুল হোসেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলটি তদন্ত করে ২৯ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

এর আগে আজ বুধবার সকালে নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী।

মামলায় ওই ছাত্রী আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন, ফেসবুক লাইভে ১১ অক্টোবর তাকে দুশ্চরিত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন নুর, যা মিথ্যা, মানহানিকর ও অপমানজনক। এই ঘটনায় তিনি নুরের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য শাহবাগ থানায় যান। সেখানে মামলা গ্রহণ না করায় তিনি ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে এই মামলা করতে এসেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী গত মাসে ছাত্র পরিষদের নেতা হাসান আল মামুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের অভিযোগে দুটি মামলা করেন। মামলায় নুরকেও আসামি করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ার অভিযোগ আনেন। নুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মীমাংসা করার নামে তাকে (ছাত্রী) নীলক্ষেতে ডেকে নিয়ে শাসিয়েছেন। তিনি (নুর) বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের ভক্তদের দিয়ে তার নামে ‘উল্টাপাল্টা’ পোস্ট করাবেন এবং ‘যৌনকর্মী’ বলে প্রচার করাবেন। তাদের গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ। এতে তার সম্মানহানি হবে।

ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন ওই ছাত্রী। মামলায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে নুরও আছেন। পরে সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা করেন ছাত্রী।

ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় পরিষদের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তারা হলেন মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. নাজমুল হুদা। সাইফুল সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। আর নাজমুল সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি।

আগের দুই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশন করছেন ওই ছাত্রী। তিনি বলছেন, সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত তার অনশন চলবে।

ওএস/এসবি

আরও পড়ুন...
নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে সেই শিক্ষার্থীর মামলা

 

আরও পড়ুন

আরও