ঝালকাঠিতে ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় প্রস্তুত ২৭৪ আশ্রয় কেন্দ্র
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭

ঝালকাঠিতে ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় প্রস্তুত ২৭৪ আশ্রয় কেন্দ্র

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ৯:৩২ অপরাহ্ণ, মে ১৯, ২০২০

ঝালকাঠিতে ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় প্রস্তুত ২৭৪ আশ্রয় কেন্দ্র
ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্ততি নিয়েছে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসন। সুগন্ধা ও বিষখালী নদী বেষ্টিত এ জেলার মানুষ আম্ফান মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে বিষখালী নদীর বেড়িবাধ না থাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নদী তীরের মানুষ। সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। এদিকে মানুষের নিরাপত্তার জন্য জেলার ২৭৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নদী বেষ্টিত উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আঘাতহানার আগেই শতর্ক থাকার আহ্বান জেলা প্রসাশক মো. জোহর আলী।

ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলায় ২৭৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে ৮২ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। সুগন্ধা ও বিষখালী নদী তীরের মানুষকে আবহাওয়ার সংকেত অনুযায়ী নিরাপদে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুদ রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি আগাত হানলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ড-ভন্ড হয়ে যাবে এবং এই পরিন্থিতি মাথায় রেখে কেন্দ্রগুলোর জন্য বিকল্প আলোর ব্যবস্থা করে রেখেছে। এছাড়াও ১ লক্ষ ৫ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের ৪০টি মেডিকেল টিম, পুলিশ বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, শিক্ষা বিভাগ, জন স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মী এবং সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান ও এনজিও কর্মীদের দূর্যোগ কালিন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা তথ্য বিভাগ এবং স্থানীয় সরকারে ইউনিয়ন পরিষদ মাইকিং করে মানুকে আশ্রয় কেন্দ্রের যাওয়ার সর্তক বার্তা প্রচার করেছে।


ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকসহ জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ সুপারসহ পুলিশ প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুত রাখার বিষয়টি তদারকি করছেন। বর্তমানে করোকালের ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, প্রয়োজনে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম আরো বাড়ানো হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

জেআইজে/এসএস

 

: আরও পড়ুন

আরও