আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের ঐতিহাসিক রায়
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের ঐতিহাসিক রায়

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:৫৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২০

আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের ঐতিহাসিক রায়
১৯৩৪ সালের তৎকালীন সরকার কর্তৃক আয়া সোফিয়াকে মসজিদ থেকে জাদুঘরে রূপান্তরের বিতর্কিত আইন বাতিল ঘোষণা করেছে তুরস্কের আদালত। শুক্রবার (১০ জুলাই) তুরস্কের শীর্ষ প্রশাসনিক আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

বৃটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি স্থাপনাটিকে মসজিদে রূপান্তরের সরকারি আদেশনামায় সাক্ষর করে সে দেশের ধর্মীয় বিভাগ দিয়ানাত ফাউন্ডেশনকে দ্রুত নামাযের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ষষ্ঠ শতাব্দীতে নির্মিত আয়া সোফিয়া অর্থডক্স খৃষ্টানদের চার্চ হিসেবে পরিচিত হলেও মূলত তা ছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মূল কেন্দ্রস্থল।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাইজেন্টাইনরা উসমানী সাম্রাজ্যে নানা ষড়যন্ত্র ও কূটচাল পরিচালনা করতো এই আয়াসোফিয়া থেকেই। ফলে ১৪৫৩ সালের ২৯ মে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মাদ ইস্তাম্বুল বিজয় করে আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের জন্য ওয়াকফ করেন।

এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতিতে খেলাফত বিলুপ্তির পর  ১৯৩৪ সালে দীর্ঘ প্রায় ৭শ বছর মসজিদ হিসেবে থাকা আয়া সোফিয়াকে জাদুঘরে রূপান্তরের ঘোষণা দেয় তুরস্কের তৎকালীন সেক্যুলার সরকার। এখন এটি ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত।

৮৬ বছর পর তুরস্কের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আহবানে আয়া সোফিয়াকে পূনরায় মসজিদে রূপান্তর করতে উদ্যোগ নেয় এরদোয়ানের নেতৃত্বাধীন তুরস্কের সরকার।

তবে ধর্মনিরপেক্ষ নাগরিক সমাজ এবং বিশ্বের অন্য ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতারা তুর্কি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তুরস্কের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরপরই সেখানে নামায আয়োজনের ঘেষণা দেওয়া হয়েছে এবং সেই নামাযের জামাত তুরস্কের প্রায় সব মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচার করা হবে।

এমএফ/

 

 

: আরও পড়ুন

আরও