ডিসেম্বর-জানুয়ারিতেই করোনার টিকা: ফাউসি
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০ | ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতেই করোনার টিকা: ফাউসি

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০২০

ডিসেম্বর-জানুয়ারিতেই করোনার টিকা: ফাউসি
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে করোনাভাইরাসের নিরাপদ ও কার্যকর টিকার প্রথম ডোজ ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির শুরু থেকে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি।

গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

টুইটার ও ফেসবুকে লাইভ চ্যাটে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক বলেছেন, করোনার টিকা তৈরিতে সামনের সারিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ও ফাইজার ইনকরপোরেশনের বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডিসেম্বরের কোনো এক সময়ে মার্কিনিরা টিকা নিরাপদ ও কার্যকর কিনা তা জেনে যাবেন।

ফাউসি আরও বলেন, প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন ফলাফল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়ার আশা করছি।

গত জুলাই মাসে মডার্না ও ফাইজার তাদের চূড়ান্ত ধাপের টিকা পরীক্ষা শুরু করে। এ দুটি পরীক্ষায় হাজারো মানুষ অংশ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার মডার্না বলেছে, আগামী মাসে তাদের বড় ও বৃহৎ আকারের টিকা পরীক্ষা তথ্য দেয়া সম্ভব হতে পারে।

ফাউসি বলেছেন, বিশেষভাবে বলতে গেলে করোনার প্রথম ডোজের টিকাগুলো উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির শুরুতে দেয়ার আশা করা যায়।

ফাউসি এসব মন্তব্য মূলত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের পরিচালক ফ্রান্সিস কলিন্সের সঙ্গে কথোপকথনের সময় করেন।

তবে কবে থেকে মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে? এ প্রসঙ্গে ফাউসি বলেন, ২০২১ সাল শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশা করা যাচ্ছে না। এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকা তৈরিতে সামনের সারিতে থাকা দুই প্রতিষ্ঠান মডার্না ও ফাইজার কয়েক সপ্তাহ বাদেই তাদের টিকার ফলাফল পাওয়ার আশা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ডিসেম্বরের মধ্যেই করোনার টিকা পাওয়ার আশা বেড়েছে।

মডার্না ও ফাইজারের টিকা ছাড়াও অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকাটি নিয়েও আশার কথা শোনা যাচ্ছে। এ টিকাটি বয়স্ক ও তরুণদের মধ্যে প্রতিরোধী সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে অ্যাস্ট্রোজেনেকার গবেষকেরা দাবি করেছেন।

ওএস/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও