আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:২১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০২১

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই। শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রে আপনি যখন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, তখন আপনার অনেক কর্মশক্তি থাকে এবং আপনি ভালো কাজ করতে পারেন। সেরকম, আপনি যখন মানসিকভাবে সুস্থ, তখনো আপনি পূর্ণ উদ্যমে অনেক ভালো কাজ করতে পারেন।

‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’ এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিবছর ১০ অক্টোবর নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে এই দিবসটি পালন করা হয়। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ দিবসটি পালিত হচ্ছে। 

দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বিষয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আরও বেশি মনোযোগী হতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা মহামারির এই বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জনসাধারণের মানসিক স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়াও পরিবারের সদস্য, সমাজের নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের মানসিক স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। এই পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথ (বিএসিএএমএইচ) সভাপতি ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলালউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে মানসিক ব্যাধির ব্যাপকতা অনেক বেশি। চিকিৎসাসেবা অবহেলিত বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আক্রান্তরা এ রোগে চিকিৎসা পান না। মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিতে সরকারি সুপরিকল্পিত নীতিমালা, প্রশিক্ষিত মনোরোগ চিকিৎসক তথা স্বাস্থ্যকর্মী, অপর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ ও কুসংস্কারজনিত কারণে মানসিক রোগের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। করোনাকালে মানসিক রোগের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে কেউ না কেউ আত্মহত্যায় প্রাণ হারান। আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। অধিকাংশ ব্যক্তিই আত্মহত্যার সময় কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত থাকেন। সাধারণত সেটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না বা মানসিক রোগ নিশ্চিত হলেও যথাযথ চিকিৎসা করা হয় না বলেই আত্মহত্যা বেড়ে যাচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মহত্যার এ হার কমিয়ে আনা সম্ভব।

ওএস/ইসি
 

আরও পড়ুন

আরও