এমবাপেতে অনুপ্রাণিত হয়ে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করলেন হালান্ড
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১ | ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭

এমবাপেতে অনুপ্রাণিত হয়ে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করলেন হালান্ড

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১

এমবাপেতে অনুপ্রাণিত হয়ে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করলেন হালান্ড
আগের দিন বার্সেলোনার মাঠে গিয়ে মেসিদের বার্সেলোনাকে বিধ্বস্ত করেছেন কিলিয়ান এমবাপে। মেসিদের ‘দূর্গ’ ক্যাম্প-ন্যুতে বিশ্বাস্য এক হ্যাটট্রিক করে ফরাসি তরুণ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল’র প্রথম লেগে নিজ ক্লাব পিএসজিকে এনে দিয়েছেন ৪-১ গোলের জয়। ক্যাম্প-ন্যুতে গিয়ে রাজা মেসিকে প্রজা বানিয়ে প্রতিপক্ষ দলের কোনো খেলোয়াড়ের পক্ষে হ্যাটট্রিক করে ‘রাজা’ বনে যাওয়াটা চাট্টিখানি কথা নয়। মঙ্গলবার রাত থেকেই ফুটবল দুনিয়ায় এমবাপের জয়গান চলছে।

শুধু জয়গানই নয়, এমবাপের অবিশ্বাস্য কারিশমায় অনুপ্রাণিত হয়ে আর্লিং হালান্ড নিজেও মাঠে আগুন ঝড়ালেন মাঠে। গতকাল রাতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের নরওয়েজিয়ান হালান্ডের সেই আগুনে পুড়ে ছাই হলো বার্সেলোনারই লিগ প্রতিদ্বন্দ্বী সেভিয়া। কাল সেভিয়ার মাঠে গিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল’র প্রথম লেগে ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে হালান্ডের ডর্টমুন্ড। দলকে দারুণ এই জয় এনে দিতে হালান্ড করেছেন জোড়া গোল।

মূলত এই নরওয়েজিয়ানের কাছেই ঘরের মাঠে বিধ্বস্ত হয়েছে সেভিয়া। নিজেদের ঘরের মাঠের প্রথম লেগে ৩-২ গোলে হারাটা বিধ্বস্তই। কারণ, মার্চে ফিরতি লেগটি সেভিয়াকে খেলতে হবে প্রতিপক্ষ ডর্টমুন্ডের মাঠে গিয়ে। যে ম্যাচে ১-০ বা ২-১ গোলে জিতলেও সেভিয়াকে বিদায় নিতে টুর্নামেন্ট থেকে। ডর্টমুন্ড পেয়ে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। কারণ, সেভিয়ার মাঠ থেকে শুধু জয় নয়, ডর্টমুন্ড ফিরেছে মহামূল্যবান ৩টি অ্যাওয়ে গোল নিয়ে।

যার সরল অর্থ, নিজেদের মাঠেই সেভিয়ার আশা প্রায় শেষ। আর সেভিয়ার এই দুর্দশার মূল নায়ক হালান্ড। যিনি এমবাপেকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই ঝড় তুলেছিলেন সেভিয়ার মাঠে। ম্যাচ শেষে হালান্ড নিজেই বলেছেন, এমবাপেকে দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি। বার্সেলোনার তুলনায় সেভিয়া সহজ প্রতিপক্ষই। ‘তো বার্সেলোনার মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমবাপে যদি হ্যাটট্রিক করতে পারেন, তাহলে সেভিয়ার বিপক্ষে আমি কেন বিশেষ কিছু করতে পারব না’-কাল ম্যাচ শুরুর আগে এভাবেই নিজের সঙ্গে বোঝাপড়াটা করে নেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হালান্ড।

মাঠে নেমে নিজের মনের সঙ্গে নিজের করা সেই বোঝাপড়াটাই অনুবাদ করে দিয়েছেন হালান্ড। অবশ্য ঘরের মাঠের ম্যাচটিতে সেভিয়াই এগিয়ে গিয়েছিল প্রথমে। ম্যাচের ৭ মিনিটেই সেভিয়াকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন সুসো। ১৯ মিনিটে সফরকারী ডর্টমুন্ডকে সমতায় (১-১) ফেরান মাহমুদ দাহুদ। এরপর হালান্ড জাদু। ২৭ ও ৪৩ মিনিটে দুই গোল করে প্রথমার্ধেই তিনি নিজ দল ডর্টমুন্ডকে এগিয়ে দেন ৩-১ গোলে। সেভিয়ার হার নিশ্চিত হয়ে যায় তখনই। ৮৪ মিনিটে সেভিয়ার হয়ে হারের ব্যবধানটাই শুধু কমাতে পেরেছেন ডি ইয়ং।

এমন জাদুকরী পারফরম্যান্সের রহস্য কি, ম্যাচ শেষে এমন প্রশ্নের উত্তরে হালান্ড স্পষ্ট করেই বলেছেন, এমবাপে দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছেন তিনি, ‘আমি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে ভালোবাসি। আজ আমাকে ক্যাম্প-ন্যুতে করা এমবাপের গোল ৩টি খুব অন্রপাণিত করেছে। তাকে (এমবাপেকে) ধন্যবাদ। সত্যিই এটা সুন্দর একটা রাত ছিল।’

কেআর

 

আরও পড়ুন

আরও