তরুণ ফুটবলার বাঁধনের মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

তরুণ ফুটবলার বাঁধনের মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৮:২১ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

তরুণ ফুটবলার বাঁধনের মায়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
দেশের বয়সভিত্তিক জাতীয় ফুটবল দলে খেলা উদীয়মান ফুটবলার জাহিদ আহসান বাধনের মায়ের দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে বাঁধনের মায়ের চিকিৎসায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বাধনের তার মায়ের চিকিৎসার জন্য এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন।

এ সময়ে প্রতিমন্ত্রী, আমরা সবসময় অসহায় দুস্হ ক্রীড়াবিদ ও তাদের পরিবারের পাশে আছি। অতি সম্প্রতি আমরা করোনায় ক্ষতিগ্রস্হ অসহায় ক্রীড়াবিদদের এক কোটি টাকা দিয়েছি। আমরা আরো বেশি সংখ্যক তৃণমূল পর্যায়ে সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করছি। আজ বাঁধনের মায়ের চিকিৎসার জন্য এক লক্ষ টাকা প্রদান করেছি। ভবিষ্যতে ও বাধনসহ সকল অসহায় ক্রীড়াবিদদের পাশে থাকব।  

উদীয়মান ফুটবলার বাঁধন মন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এক ফেইসবুক স্টাটাসে লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ,
আমার আম্মুর চিকিৎসার জন্য এগিয়ে এসেছেন "যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহিদ আহসান রাসেল স্যার, চিকিৎসার জন্য আমাকে ১ লক্ষ টাকার চেক দিলেন নিজ হাতে।

অনেক ধন্যবাদ স্যার আপনাকে,  আমার মত এক অসহায় সন্তানের পাশে দাড়িয়েছেন। আপনার মত সকলে-ই যদি আমার পাশে দাড়ায় যার যার অবস্থান থেকে যার যার সাধ্যমত  ইনশাআল্লাহ আমি আমার আম্মুকে সুস্থ করে তুলবো।

আমার মায়ের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই,  আল্লাহ্ যেন আমার মাকে সুস্থ করে দেন ও স্বাভাবিক জীবন ধারণ করার ক্ষমতা দেন।

মায়ের স্বপ্ন ছেলে বড় ফুটবলার হবে। সেই পথেই এগোচ্ছেন বাধন। ময়মনসিংহের জেলা ফুটবলে শুরু করে ফার্স্ট ডিভিশন খেলে যাচ্ছেন এই উদীয়মান ফুটবলার। মাঝে ২০১৫ সালে অনূর্ধ্ব জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছিলেন। সেই দলের সতীর্থ রাকিব হাসান এখন সিনিয়র জাতীয় দলের পরিচিত মুখ। বাঁধনের ইচ্ছাটাও সেরকম। তবে তার আগে মাকে বাঁচানোই যেন একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বাঁধনের।

চেক প্রদানকালে মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ

 

: আরও পড়ুন

আরও