পূজার আগে চুলের যত্নে কিছু টিপস্
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০ | ১৬ কার্তিক ১৪২৭

পূজার আগে চুলের যত্নে কিছু টিপস্

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৪২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০২০

পূজার আগে চুলের যত্নে কিছু টিপস্
আর কিছুদিন পরেই পূজা। আর আপনার অন্য সব সাজ পোশাকের সাথে নিশ্চই চুল নিয়েও আছে নানা পরিকল্পনা। তবে যাই করুন না কেনো এখনই যদি চুলের যত্ন না নিন তাহলে পূজায় আপনার কাঙ্ক্ষিত চুলের সাজ পাওয়া কিন্তু স্বপ্নই থেকে যাবে।

দৈনন্দিন জীবনে ব্যস্ততার কারণে প্রতিদিন চুলের যত্ন নেওয়া সেইভাবে সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেই সঙ্গে বাইরের দূষণ, রোদ, ধুলো এগুলো তো রয়েছেই। ফলে চুল হয়ে যায় রুক্ষ ও পাতলা এবং অকালেই ঝরতে শুরু করে। তাই পুজার আগে আপনাদের জন্য রইল এমন ১০টি টিপস, যাতে আপনার চুল থাকবে সুস্থ, উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত।

১. রোদ, ধুলো-বালি, বৃষ্টি ইত্যাদি চুলের প্রচণ্ড ক্ষতি করে। চুলকে শুষ্ক ও রুক্ষ বানিয়ে দেয়। তাই বাইরে বের হওয়ার সময়ে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। পারলে স্কার্ফ জাতীয় কিছু দিয়ে মাথার চুল ঢেকে বাইরে বের হোন।

২. প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ লিটার পানি খান। এতে চুল পড়াও কমবে। চুলও উজ্জ্বল হবে।

৩. প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল নিঃসরণ ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। তাই ২-৩ দিন অন্তর শ্যাম্পু ব্যবহার করাই শ্রেয়।

৪. ভেজা অবস্থায় চিড়ুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে চুলের গোড়া অনেক বেশি নরম হয়ে যায়। চুল পড়ে যেতে শুরু করে। তাই চুল শুকানোর পরে বড় দাঁতের চিরুনি দিয়েই চুল আঁচড়ান।

৫. গরম পানিতে চুল ধোবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। তাই সব সময় মাথায় ঠাণ্ডা পানিই ব্যবহার করুন।

৬. সুস্থ এবং ভালো চুলের জন্য কিছু ঘরোয়া টোটকাও ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পুর পরে এক টেবিল চামচ লেবুর রস চুলে ম্যাসাজ করে নিলে চুল অনেক বেশি ঝলমলে দেখায়।

৭. এক কাপ কন্ডিশনারের সঙ্গে ২-৩ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার ভেজা চুলে এই প্যাক লাগিয়ে ৩০মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। এটি চুল নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে।

৮. প্রথমে চুল ভিজিয়ে নিন। এবার একটি ডিম ফাটিয়ে পুরো মাথায় লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা দূর হবে।

৯. একদম উষ্ণ পানির সঙ্গে সমপরিমাণ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে চুলে লাগান। ৫মিনিট পরে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের শুষ্কতা দূর করে চুল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

১০. কেমিক্যাল যুক্ত শ্যাম্পু এবং তেল কোনোটাই ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ভীষণ ক্ষতি হয়। বর্তমানে হেয়ার ওয়েল গুলিতে মিনারেল ওয়েল থাকে, যা কিনা ক্যান্সারের কারণ। কিন্তু চুল ভালো রাখতে গেলে আপনাকে তেল এবং বাইরের ধুলো-বালি থেকে রেহাই পেতে শ্যাম্পু ব্যবহার করতেই হবে। তাই আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন ন্যাচারাল তেল।

যাদের বড় চুল, তারা বেণী করে নিন ঘুমানোর আগে। তাতে চুল সারা রাত ঘষা খাবে না। ছোট চুল হলে খোলা রেখে শুলেও অসুবিধা নেই। তেল ম্যাসাজ করে শুলে ঘুম ভালো হবে।

নিয়মমাফিক পরিচর্যা, সুষম খাবার, সুন্দর জীবনযাপন আপনাকে ভালো ও সুস্থ রাখবে। আর সুস্থতা প্রতিফলিত হবে আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যে। তাই আপনার বিরামহীন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ঘুমের আগে এটুকু ঘরোয়া পরিচর্যায়ই আপনি থাকবেন একদম সুস্থ, প্রাণবন্ত, সুন্দর।

ওএস/ইসি

 

 

আরও পড়ুন

আরও