ত্বকের যত্নে এক্সফলিয়েশনের গুরুত্ব কতটুকু?
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

ত্বকের যত্নে এক্সফলিয়েশনের গুরুত্ব কতটুকু?

পরিবর্তন ডেস্ক ১:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৮, ২০২০

ত্বকের যত্নে এক্সফলিয়েশনের গুরুত্ব কতটুকু?
এক্সফলিয়েশন! এ শব্দটি খুবই পরিচিত এবং আমাদের স্কিন কেয়ার রুটিনের খুবই অ্যাসেনশিয়াল একটি স্টেপ। কিন্তু স্কিনের জন্য এক্সফলিয়েশন আসলে কতটুকু জরুরি বা স্কিনে এটি কিভাবে কাজ করে আমরা অনেকেই হয়তো পরিষ্কারভাবে বলতে পারব না। আবার অনেকেই মনে করে থাকে দানাদার যেকোনো প্রোডাক্ট দিয়ে ফেইস ক্লিন করাই বুঝি এক্সফলিয়েশন। কিন্তু স্কিন টাইপ ও স্কিন প্রব্লেম অনুযায়ী যে এক্সফলিয়েট ডিফরেন্ট হয়ে থাকে তাও কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না। এই সকল না জানা তথ্য ও কনফিউশন দূর করতেই আজকের এই লেখা। যেখানে আমরা এক্সফলিয়েশন সম্পর্কে একটা বিস্তারিত ধারণা পাব।

ত্বকে এক্সফলিয়েটর কিভাবে কাজ করে?

আমরা হয়তো অনেকেই জানি না আমাদের যে স্কিন সেলস তার প্রত্যেকটারই একটা বয়সসীমা আছে। অর্থাৎ একটা নির্দিষ্ট সময় পর এই সেলগুলো ডেড সেলে পরিণত হয়। এই ডেড সেল যদি সময়মতো রিমুভ না করা হয় তাহলে স্কিন ডার্ক হয়ে যায়, পোরস ক্লগ হয়ে যায়, স্কিন অনেক ড্রাই ও প্যাচি হয়ে যায়। এই ডেড সেল স্কিন সারফেসে জমে গেলে স্কিনে ফাইনলাইন, রিংকেলও ক্রিয়েট হয়। তাই অবশ্যই স্কিনের ডেড সেল নির্দিষ্ট সময় পর পর রিমুভ করতে হয়। আর এই ডেড সেল রিমুভ করাই আসলে এক্সফলিয়েটরের কাজ।

এক্সফলিয়েশনের কিছু উপকারিতা

ব্লেমিশ স্কিনে এক্সফলিয়েশন

স্কিনের ব্লেমিশনেস মানে হলো স্কিনে থাকা স্পেসিফিক কালচে দাগ, স্কিন ডিসকালার হয়ে যাওয়া অথবা স্কিনের কোন ফ্লস। এ ধরনের দাগ মূলত ডেড সেল থেকে তৈরি হয়। তাই এসকল দাগযুক্ত ত্বকে সপ্তাহে দুইবার এক্সফলিয়েট করা জরুরি।

ব্রনের দাগ দূর করতে এক্সফলিয়েশন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্কিন থেকে ব্রন চলে গেলেও ব্রনের দাগ কিন্তু থেকেই যায়। এই দাগ হালকা কমাতে অবশ্যই এক্সফলিয়েট করতে হবে।

পোরস ক্লগ হলে এক্সফলিয়েশন

স্কিনে পোরস ক্লগ হয়ে গেলে ব্লাকহেডস, হোয়াইটহেডস দেখা দেয়। এক্সফলিয়েশন এই ব্লাকহেডস, হোয়াইটহেডস ক্লিন করতে অনেক বেশি হেল্প করে।

সানট্যান দূর করতে এক্সফলিয়েশন

স্কিনের উপরিভাগে সূর্যের তাপে একটা কালোভাব দেখা দেয়। যেহেতু এক্সফলিয়েশন স্কিনের উপরের ডেড সেল রিমুভ করে, তখন সাথে সাথে সানট্যানও চলে যায়।

ফিজিক্যাল এবং কেমিক্যাল এক্সফলিয়েটর

এক্সফলিয়েটর প্রধানত দুই টাইপের হয়ে থাকে। ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েটর এবং কেমিক্যাল এক্সফলিয়েটর। কেমিক্যাল এক্সফলিয়েশনে ফলের এনজাইম বা গ্লাইকোলিক অ্যাসিডের মতো অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়, যা চিনি থেকে পাওয়া যায় এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয় মিল্ক থেকে। ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েটরের খুব কমন একটা ফর্ম হলো ফেসিয়াল স্ক্রাব। এই স্ক্রাব নরমালি ছোট ছোট দানা থাকে, যা দিয়ে যখন আমরা ফেইস ম্যাসাজ করি, আমাদের ডেড সেল রিমুভ হয়ে যায়। আরেকটি বেশ স্ট্রং একটা ফিজিক্যাল এক্সফোলিয়েটর হলো মাইক্রোডার্মাব্রেশন কারণ এটা ত্বকের উপরের লেয়ার থেকে ডেড সেলের পরত তুলে ফেলে।

কোন এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করবো?

এক্সফলিয়েটর কোনটা ব্যবহার করবো তা নির্ভর করে আমাদের ত্বকের উপর। যাদের স্কিন বেশি রাফ, অনেক দিন হলো ডেড সেল জমা পড়ে আছে তাদের জন্য ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েটর ভালো হবে। কিন্তু ফিজিক্যাল এক্সফলিয়েশন যেহেতু একটু স্ট্রং তাই অনেক সময় একটু সেনসিটিভ স্কিন, অ্যাকনে প্রন স্কিনে এই এক্সফলিয়েটর অনেক বেশি হার্শ হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কেমিক্যাল এক্সফলিয়েশন সব থেকে ভালো অপশন। কেমিক্যাল এক্সফলিয়েশন সব ধরনের স্কিনের জন্য উপযোগী।

ইসি

 

: আরও পড়ুন

আরও