তুরস্ক-গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ২৬
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০ | ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

তুরস্ক-গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ২৬

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২০

তুরস্ক-গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ২৬
তুরস্ক ও গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২৬ এ পৌঁছেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

তবে তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (এএফএডি) বলেছে, গ্রিনিচ সময় ১১টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট) আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৬।

ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভূমিকম্পের কারণে সামোস দ্বীপতীরবর্তী অ্যাজিয়ান সাগরে ছোট আকারে সুনামি সৃষ্টি হয়েছে। সাগরে জলোচ্ছ্বাসের কারণে তুরস্কের পশ্চিম উপকূলের একটি শহরে রাস্তাগুলো নদীতে পরিণত হয়েছে। খবর এএফপির

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বলেছে, গ্রিসের সামোস দ্বীপের কারলোভাসি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ইস্তাম্বুল ও এথেন্সেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

তবে ভূমিকম্পের পর চিরশত্রু দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুযোগ তৈরি হয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি সমর্থন ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

তুরস্কের অ্যাজিয়ান সাগরতীরবর্তী পর্যটন এলাকা ইজমিরে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখানে সুউচ্চ ভবন রয়েছে। ভূমিকম্পে অনেক ভবন ধসে গেছে। ইজমিরের রাস্তায় ভবনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

তুরস্কের দুর্যোগ ত্রাণ সংস্থা বলছে, ভূমিকম্পে ২৪ জন নিহত হয়েছে ও প্রায় ৮০০ জন আহত হয়েছে। গ্রিসের সামোস দ্বীপে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুই কিশোর দেয়ালচাপায় নিহত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে।

ভূমিকম্পে গৃহহীনদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে তুরস্কের মসজিদগুলোতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, ইজমিরের রাস্তাগুলো নদীতে পরিণত হয়েছে। সেখানকার বেশির ভাগ এলাকায় সাদা ধোঁয়ায় ভরে গেছে। বড় বড় ভবনগুলো ধসে পড়েছে।

গ্রিসের নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা সামোসের বাসিন্দাদের খোলা জায়গায় এবং ভবন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী টুইটে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে যত মতবিরোধই থাক এটাই একসঙ্গে থাকার সময়।’ এরদোয়ান টুইটে প্রতি উত্তরে গ্রিসের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। কঠিন সময়ে প্রতিবেশী দুই দেশের সংহতি খুবই মূল্যবান।

ওএস/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও