ভেঙে গেল শাবনূরের আট বছরের সংসার
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬

ভেঙে গেল শাবনূরের আট বছরের সংসার

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৪, ২০২০

ভেঙে গেল শাবনূরের আট বছরের সংসার

ঢাকার চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর তার স্বামী অনিক মাহমুদের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না-এমন কারণ দেখিয়ে প্রায় আট বছরের দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানছেন।

আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২৬ জানুয়ারি স্বামীর ঠিকানায় তালাক নোটিস পাঠিয়েছেন শাবনূর। নোটিশে স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অনেক অভিযোগ এনেছেন ঢালিউডের নন্দিত এই অভিনেত্রী।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদ সঙ্গে আংটি বদলের পর ২০১২ সালের ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। ৬ বছর বয়সী ছেলে আইজান নিহানকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বাস করেন শাবনূর।

নোটিশে শাবনূর বিচ্ছেদের কারণ উল্লেখ করেছেন, আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় স্ত্রী এবং সন্তানের প্রতি যথাযথ যত্নশীল না এবং আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

শাবনূর উল্লেখ করেন, একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে স্বামী যে ব্যবহার করে, অনিক সেটা করছে না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করে। এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। যে কারণে মনে হলো, তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারবো না।

তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই- জানান এই চিত্রনায়িকা।

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর পেছনে শাবনূরের সঙ্গে ‘অতি-অন্তরঙ্গতা’কে দায়ী করে সম্প্রতি আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পিবিআই। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান শাহ্ খুন হননি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তার আত্মহত্যার পেছনে রয়েছে পাঁচ কারণ। কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শাবনূরের সঙ্গে অতি-অন্তরঙ্গতা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে শাবনূর দাবি করেন, তাকে ফাঁসাতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

ওএস/এইচআর

 

তারায় তারায়: আরও পড়ুন

আরও