আরিচা-কাজিরহাট রুটে ১৯ বছর পর ফেরি চালু
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১ | ১০ বৈশাখ ১৪২৮



আরিচা-কাজিরহাট রুটে ১৯ বছর পর ফেরি চালু

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ২:৪৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১

আরিচা-কাজিরহাট রুটে ১৯ বছর পর ফেরি চালু
জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে আরিচা-কাজিরহাট রুটে ১৯ বছর পর পুনরায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর আগে নাব্য সংকটের কারণে ২০০২ সালে ফেরিঘাট আরিচা থেকে পাটুরিয়াতে স্থানান্তর করা হলে এ রুটে ফেরি বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মানিকগঞ্জের আরিচা প্রান্তে আরিচা-কাজিরহাট ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করেন।

এ সময় নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ নৌরুট চালু হওয়ার ফলে যাত্রী ও যানবাহনের শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তারা দ্রুত সময়ে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। প্রয়োজনে এ রুটে ফেরি আরও বাড়ানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চোধুরী ছাড়াও স্থানীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে ‘বেগম রোকেয়া’ নামের ফেরি নিয়ে যমুনা নদী পাড়ি দেন তারা।

উদ্বোধনের পরই যাত্রী পারাপার শুরু করে ফেরিগুলো। তাই ঘাটে ভিড় করতে শুরু করেছে যানবাহন। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে উল্লাস ও আনন্দের কথা জানিয়েছেন যাত্রী ও ঘাট এলাকার ব্যবসায়ীরা।

এদিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আরিচা-কাজিরহাট ফেরি রুটের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। আরিচা থেকে কাজিরহাট যেতে সময় লাগবে এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট; কাজিরহাট থেকে আরিচা আসতে সময় লাগবে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট। একটি রো রো (বড়) ও দুটি মাঝারি আকৃতির ফেরি দিয়ে এ রুটের সার্ভিস শুরু হয়েছে। এ রুটে বড় বাসের ভাড়া ২ হাজার ৬০ টাকা, ট্রাকের ভাড়া এক হাজার ৪০০, মাইক্রোবাসের ভাড়া ১ হাজার, প্রাইভেটকারের ভাড়া ৬৮০, মোটরসাইকেলের ভাড়া ১০০ এবং যাত্রীর ভাড়া ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতকারী জনসাধারণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে উপহার স্বরূপ আরিচা-কাজিরহাট ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়।

বর্তমানে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের একটি অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিগণিত হবে। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামালসহ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সাঁজোয়া যান, অন্যান্য ভারী যানবাহন এ ঘাট দিয়ে পারাপার হতে পারবে।

ওএস/এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও