দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের স্রোত
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের স্রোত

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ৩:৫১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২০

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ঘরমুখো মানুষের স্রোত
ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে বাড়ি ফিরছে হাজারো মানুষ।

কিন্তু করোনাভাইরাসের এই মহামারির মধ্যেও যাত্রী, শ্রমিক, পথচারী কারো মধ্যেই নেই সামাজিক দূরত্ব।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট এবং বাস টার্মিনাল এলাকায় ঘরমুখী মানুষের চাপ দেখা যায়।

সময় যত বাড়ছে ততই যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা ঘাট কর্তৃপক্ষের।

পদ্মার তীব্র স্রোতে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ফলে পারাপারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে ফেরিগুলোর। যার কারণে দৌলতদিয়া প্রান্তে প্রায় আড়াই শতাধিক যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়েছে।

যানবাহনগুলোর মধ্যে বেশি যাত্রীবাহী বাস। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের থাকতে হচ্ছে সিরিয়ালে। এছাড়া পশুবাহী ট্রাকগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে।

এদিকে বাড়তি ভাড়া নিয়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সরকার যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা দিলেও সেটি মানছেন না চালকরা।

যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে গাদাগাদি করে বহন করছেন যাত্রী। এছাড়া লঞ্চ, ফেরি ও টার্মিনালেও নেই সামাজিক দূরত্ব।

ঘরমুখো যাত্রীরা জানান, ঈদ করতে তারা বাড়িতে যাচ্ছেন। ঢাকা থেকে আসতে বাসে ভাড়া বেশি নিলেও গাদাগাদি করে আসতে হয়েছে। এখন দৌলতদিয়া প্রান্তে এসেও একই অবস্থা। ভাড়া দিগুণ আবার যেতে হবেও গাদাগাদি করে।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আছে জেনেও কেন বাড়িতে আসছেন এমন প্রশ্নের জবাবে অনেকেই বলেন, বছরে মাত্র দুইটা ঈদ (উৎসব)। আর সেই ঈদেও যদি আপনজনের সাথে না থাকতে পারি, তাহলে কষ্টই বাড়বে। যে কারণে ঝুঁকি থাকলেও প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি পরিবর্তন ডটকমকে জানান, স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগছে। এজন্য ঘাটে যানবাহনের কিছুটা সিরিয়াল হয়। এছাড়া সকাল থেকে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে।

দৌলতদিয়া পাটুরিয়া রুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে বলে তিনি জানান।

এইচআর

 

: আরও পড়ুন

আরও