বাদামের দাম বেড়েছে, কৃষকের মুখে হাসি
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

বাদামের দাম বেড়েছে, কৃষকের মুখে হাসি

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ১:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৮, ২০২০

বাদামের দাম বেড়েছে, কৃষকের মুখে হাসি
চলতি মৌসুমে বাদামের ভাল দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকেরা। আগের বছরের তুলনায় প্রতি মণে ৮০০ থেকে হাজার টাকা দাম বাড়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের ঝিটকা হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা যায়, গত বছরের চেয়ে এ বছর বাদামের দাম বেশি। গত বছর বাদামের দাম প্রতি মণ ১৬০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২৫০০ টাকা বিক্রি হয়েছিল কিন্তু এ বছর ২৪০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হরিরামপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক হাট জমে ঝিটকা বাজারে। ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের রাস্তার দুই পাশে বস্তায় বস্তায় বাদাম সাজিয়ে বসে আছে বাদাম চাষীরা। তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, বাদামের দাম গত বছরের চেয়ে বেশি হওয়ায় খুশি তারা। এই ফসলে খরচের তিন ভাগের দুই ভাগই লাভ হওয়ায় বাদাম চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষকেরা।

হরিরামপুর উপজেলার ছিলোমপুর চরের মো: বক্কর মোল্লা জানান, এ বছর তিনি কয়েক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ২৬-৩০ মণ বাদাম পেয়েছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকা এবং তিনি আশা করছেন এ বছর বাদাম বিক্রি করে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা লাভবান হবেন।

একই গ্রামের বাদাম চাষী মতি মিয়া জানান, তিনি যে জমিতে বাদাম চাষ করেছেন সেই জমিতেই ভুট্টা চাষ করেছিলেন এতে করে এক জমিতে দুই ফসলে বেশ লাভ হয়েছে। এক ফসলের লাভের টাকায় আমার বাদাম চাষও হয়ে গেছে। এতে আমার এক জমিতে দ্বিগুন লাভ পাচ্ছি। বাদাম চাষে পরবর্তীতে কোন সার প্রয়োগ করতে হচ্ছেনা। এ দিকে ভুট্টা চাষের সময় যে সার প্রয়োগ করে ছিলাম ওই সারেই আমার বাদাম চাষ হয়ে যাচ্ছে। এতে বেশ ভাল ফলন পেয়েছি।

এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক জানান, এ বছর এখনো বন্যা না হওয়ায় কৃষকেরা শতভাগ বাদাম উঠাতে পেরেছেন। বাদাম চাষ লাভজনক হওয়ায় এ বছর ১৯২ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ হয়েছে। যা গতবছর ছিল ১৭৮ হেক্টর জমিতে। এছাড়া এ অঞ্চলে ঢাকা ডিজি ২ জাতের বাদাম চাষ হয়। তাই এ বছর আরও দুইটি বিনা বাদাম ৪ এবং বিনা বাদাম ৬-এর প্রদর্শনী করেছেন বলেও জানান তিনি।

এএল/জেডএস

 

: আরও পড়ুন

আরও