প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে ঘর বাঁধলো নেপালি তরুণী
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে ঘর বাঁধলো নেপালি তরুণী

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ১২:৪৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে ঘর বাঁধলো নেপালি তরুণী

প্রেমের টানে নেপাল থেকে এবার টাঙ্গাইলের সখীপুরে এসেছে সানজু কুমারী খাত্রী (২০) নামের এক তরুণী। তিনি উপজেলার কাকাড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের হুমায়ুন কবীবেরর ছেলে প্রবাসী নাজমুল হোসেনের বাড়িতে এসেছেন।

সানজু কুমারী খাত্রী ও নাজমুল হোসেন প্রায় চার বছর ধরে মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে কাজ করার সময় একে অপরের সঙ্গে চেনা-জানা ও প্রেমের সম্পর্ক হয়।

বাংলাদেশে আসার পর তারা দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। নেপালি তরুণী গত ১৫ দিন আগে তার দেশ থেকে নাজমুলের সঙ্গেই বাংলাদেশে এসেছেন বলে জানিয়েছে ওই পরিবার। এ সংবাদে তাদের দেখার জন্য আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছে অনেক মানুষ।

বাঙালি নারীর মতো স্বাভাবিক কাজ-কর্ম করছেন ওই নেপালি নারী। হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সানজু কুমারী খাত্রী থেকে তার নাম রাখা হয়েছে খাদিজা। তিনি বাঙালি আচার-আচরণ ও পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করলেও ভাষাগত কিছু সমস্যায় আছেন। বাংলা ভাষা বুঝেন কিন্তু বলতে কিছুটা সমস্যা হয় বলে জানান নাজমুল।

নেপালি আদালতেও তাদের বিয়ে হয়েছে। তারপর টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে কোর্ট মেরেজ করেন এবং স্থানীয় এক নিকাহ রেজিস্টার দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।

নেপালের কাঠমুণ্ডু শহরেই মেয়েটির বাড়ি। সেখান থেকে পারিবারিক সম্পর্ক ছিন্ন করে নাজমুলের হাত ধরে বাংলাদেশে আসেন তিনি।

খাদিজা আক্তারের নেপালি ভাষার অনুবাদ করে নাজমুল জানান, ‘বাংলাদেশর সংস্কৃতি ও গ্রাম্য পরিবেশ আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। নাজমুলকে অনেক ভালোবাসি। আমি আর নেপালে ফিরে যাবো না।’

নাজমুল বলেন, ‘একটি হিন্দু মেয়ে আমাকে ভালোবেসে মুসলমান হয়ে আমাকে বিয়ে করেছে এবং দেশত্যাগ করে বাংলাদেশে এসেছে। আমি ওর প্রতি কৃতজ্ঞ। সবার কাছে আমাদের জন্য দোয়া চাই।’

নাজমুলের বাবা হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ছেলের বউ দেখে আমরা খুব খুশি হয়েছি। ওদের আনন্দেই আমরা আনন্দিত।’

এইচআর

 

: আরও পড়ুন

আরও