দগ্ধ ইয়াসমিনকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

দগ্ধ ইয়াসমিনকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি

ঢামেক প্রতিবেদক ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২০

দগ্ধ ইয়াসমিনকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ ইয়াসমিন আক্তার সুইটি (২৫)কে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম থেকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন দগ্ধ ইয়াসমিনের বাবা হারুন-অর-রশিদ।

তিনি জানান, ‘সাত বছর আগে সলিমুল্লাহ রাফেল (৩০) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় উপজেলার সন্দীপ পাড়ায় ইয়াসমিনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের ঘরে আর রাফি নামের চার বছরের এক সন্তান রয়েছে।

বিয়ের পর থেকে সে বিভিন্ন সময়ে টাকা-পয়সার জন্য মেয়েকে নির্যাতন করতো। দফায় দফায় তাকে সাত থেকে আটবার ১০/২০ হাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন অংকের টাকা দেওয়া হতো। শুধু তাই নয় ব্যবসায়িক সহযোগিতাও করা হতো। ডিস/কেবল ব্যবসায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় তাতেও সে সন্তুষ্টি হয়নি।’

তিনি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। তারই জের ধরে আমার মেয়ে ইয়াসমিনের শরীরের কোমর থেকে শুরু করে নিচের পুরা অংশে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

তারপর রাতেই আমাকে ফোন দিয়ে বলে তোর মেয়েকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছি তুই পারলে পুলিশ নিয়ে আয়, এসে তোর মেয়েকে নিয়ে যা।

পরে সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করি। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার রাত সাড়ে ৯টা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে নিয়ে আসি।’

ইয়াসমিনের চাচা আব্দুল মালেক জানান, রাফেল টাকার নির্যাতন করতো। এছাড়াও সে বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে ফোন আলাপ করতো তা নিয়ে ও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ছিল। সে নেশাও করত।

ইয়াসমিনের বাবা রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা করে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাফেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের কোমর থেকে নিচের অংশে ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এইচআর

 

আরও পড়ুন

আরও