ঢাকায় খোলেনি অধিকংশ মার্কেট-শপিং মল, নেই ক্রেতাও
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ঢাকায় খোলেনি অধিকংশ মার্কেট-শপিং মল, নেই ক্রেতাও

শাহাদাৎ স্বপন ৮:১২ অপরাহ্ণ, মে ১০, ২০২০

ঢাকায় খোলেনি অধিকংশ মার্কেট-শপিং মল, নেই ক্রেতাও
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সংগঠনের আবেদনের প্রেক্ষিতে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীসহ সারাদেশে সীমিত পরিসরে দোকানপাট-শপিংমল খোলার অনুমতি দেয় সরকার। রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত দোকানপাট শপিংমল খোলা রাখার কথা। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।

রাজধানীর ফার্মগেট, বাংলামোটর, পান্থপথ, কাকরাইল, পল্টন, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় কোন রকম দোকান, মার্কেট খুলতে দেখা যায়নি। রাস্তার পাশে দু-একটি যানবাহনের যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকান খুলে রাখতে দেখা গেছে। তবে তুলনামূলকভাবে আগের চেয়ে হোটেল ও কিছু কিছু এলাকায় ইফতারের দোকানে বিভিন্ন প্রকারের ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসতে দেখা যায়। তবে দোকানগুলোতে তেমন ক্রেতার সমাগম লক্ষ্য করা যায়নি।

রাজধানীর পল্টন এলাকার পলওয়েল সুপার মার্কেটের এ এম সুজ নামের একটি দোকানের সেলসম্যান শহীদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে এ পর্যন্ত দোকান খোলা রেখে তেমন কোনো ক্রেতা পাননি তিনি। বসে বসে সময় যাচ্ছে তাদের।

কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তার ধারণা, মানুষ অনেকটা করোনা ভাইরাস আক্রান্তের ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে না।

এ দিকে গত ৫ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে সীমিত আকারে দোকানপাট শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সারাদেশের দোকান ও শপিংমলগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রায় এক কোটি মানুষের রুটি-রুজির কথা ভেবে মালিক সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দোকানগুলো সীমিত আকারে খোলার অনুমতি দিয়েছেন। এর সঙ্গে শপিংমলগুলোর সামনে প্রয়োজনীয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও ভাইরাস মোকাবেলায় যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এসব আয়োজন অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের জন্য কঠিন। আমাদের জেলা পর্যায়ের এবং রাজধানীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে দেখেছি সরকারের দেওয়া শর্ত মেনে এই মুহূর্তে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্য ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সীমিত পরিসরেও দোকানপাট খোলা হবে কিনা সেটা ভাববার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়াও মার্কেট খোলার অনুমতি মিললেও রাজধানীর বৃহৎ শপিং সেন্টার যমুনা ফিউচার পার্ক ও বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বন্ধ থাকছে নিউ মার্কেট, মৌচাক মার্কেটও। গুলিস্তান-বঙ্গবাজার এলাকার মার্কেটগুলোও ঈদের আগে খোলা হবে না বলেই জানানো হয়েছে।

এসএস

 

: আরও পড়ুন

আরও