শিক্ষার্থীদের ‘মাইগ্রেশনে’র দাবি মেনে নিলেন কেয়ার মেডিকেল কর্তৃপক্ষ
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

>

শিক্ষার্থীদের ‘মাইগ্রেশনে’র দাবি মেনে নিলেন কেয়ার মেডিকেল কর্তৃপক্ষ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২২

শিক্ষার্থীদের ‘মাইগ্রেশনে’র দাবি মেনে নিলেন কেয়ার মেডিকেল কর্তৃপক্ষ
অবেশেষে শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশনের দাবি মেনে নিল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাজধানীর কেয়ার মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান। কলেজের চেয়ারম্যানকে অফিস কক্ষে আটকে রেখে শনিবার রাতভর চলে বিক্ষোভ।

শনিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানীর মোহাম্মাদপুরের কেয়ার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। মাইগ্রেশনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে অবস্থান নেন কলেজটির চেয়ারম্যান পারভীন ফাতেমার কক্ষের সামনে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পাঠদানের অনুমতি ছাড়াই ভর্তি। বিএমডিসির অনুমোদন না নিয়েই ২০১৪ সাল থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করে কেয়ার মেডিকেল কলেজ। ভুয়া অনুমোদনপত্র আর নানা প্রভোলন দেখিয়ে ভর্তির অভিযোগ এনে তারা বলেন, পড়া শেষ করেও এখনকার প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা কোথাও ইন্টার্ন করার সুযোগ পাচ্ছেন না।

এতে ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, ভর্তির সময় তাদের যেসব কাগজপত্র দেখানো হয়েছে তার সবই ভুয়া। কলেজটির কোনো অনুমোদনই নেই। বর্তমানে কেয়ার মেডিকেল কলেজে চারটি ব্যাচে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

জনপ্রতি ২০ লাখ টাকা করে নেয়া হয় ভর্তি ফি। মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকা। বিপুল টাকা দিয়েও সন্তানের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করে, মেডিকেল কলেজটিতে শিক্ষার কোনো ধরনের পরিবেশ নেই। শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবসহ নানা প্রয়োজনীয় জিনিসের সংকট প্রকট। তাই অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন আছে এমন মেডিকেল কলেজে মাইগ্রেশন করতে কলেজ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তারা।

রাত ২টার দিকে চেয়াম্যানের কক্ষে ঢোকেন আন্দোলনকারীরা। দীর্ঘ আলোচনার পর ভোররাত ৪টার দিকে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে মাইগ্রেশনের কাগজে স্বাক্ষর করেন পারভীন ফাতেমা।

পারভীন ফাতেমা বলেন, ‘যারা মাইগ্রেশন চাচ্ছে তাদের বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি মাইগ্রেশন দিয়ে দিচ্ছি।’ এ সময় আগামী দু’তিন মাসের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন কলেজের চেয়ারম্যান।

এএইচএ
 

আরও পড়ুন

আরও
               
         
close