শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কুবির ৪০ শিক্ষার্থীকে শোকজ
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ৩ কার্তিক ১৪২৮

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কুবির ৪০ শিক্ষার্থীকে শোকজ

কুবি প্রতিনিধি ২:১৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কুবির ৪০ শিক্ষার্থীকে শোকজ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিভাগটি।
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিভাগটির বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন পিএইচডি'র স্বাক্ষরে শিক্ষার্থীদের হাতে এ নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়। 

বিভাগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ, সরাসরি উপাচার্যের কাছে যাওয়া ও ফেসবুকে লেখালেখি করায় তাদেরকে এই শোকজ দেয়া হয়। আগামী ৭ দিনের মাঝে তাদেরকে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, আপনারা বিভাগীয় ৪র্থ ব্যাচ, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা গত পহেলা সেপ্টেম্বর তারিখ ও তৎপরবর্তী সময়ে অনলাইন প্লাটফর্ম, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ফেসবুকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও বিভাগীয় শিক্ষকদের নিয়ে নানা ধরণের কটুক্তি ও বিব্রতকর মন্তব্য করেছেন। এমন কি শিক্ষকের সাথে আপনাদের একাডেমিক অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের ভাষা উন্মুক্তভাবে উপস্থাপন এবং স্কিনশট শেয়ার করে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। এটি আপনারা করতে পারেন কি না সে বিষয়ে বিভাগ জানতে চায়। 

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগীয় শিক্ষকেরা অবশ্যই শিক্ষার চলমান অচলাবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভাগ একাডেমিক বিষয়ে তৎপর। তথাপি আপনাদের এ ধরনের অশোভন আচরণে বিভাগ মর্মাহত। তাছাড়া বিভাগীয় একাডেমিক বিষয় নিয়ে আপনারা বিভাগীয় ছাত্র-উপদেষ্টা ও বিভাগীয় প্রধানের সাথে আলোচনা ব্যতিরেকে বিভাগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও সরাসরি উপাচার্য মহোদয়ের স্মরণাপন্ন হয়েছেন। আপনাদের ও ধরণের আচরণ বিভাগীয় শৃঙ্খলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণ বিধিকে লঙ্ঘণ করেছে।

এ বিষয়ে ব্যাচটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে যেহেতু পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষমতা বিভাগের হাতে নেই, তাই আমরা সরাসরি উপাচার্য স্যারের কাছে গিয়েছিলাম আমাদের পরীক্ষার দাবিতে। আর এসব নিয়েই ফেসবুকে আমরা লেখালেখি করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে বিভাগের কারণ দর্শানোর এমন নোটিশে আমরা শংকিত, হতবাক। 

তবে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ নিয়ে বিভাগটির বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন পিএইচডি জানিয়েছেন, ছাত্রদের দাবি দাওয়া ছাত্ররা করবেই। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো শিক্ষককে বিব্রত করা যায় না। আর কোনো বিষয়ে বিভাগে আলোচনা না করে সরাসরি উপাচার্য স্যারের কাছে গেলে বিভাগে শৃঙ্খলা থাকে না। এসব কারণেই তাদেরকে এ নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ঐ ব্যাচের ক্লাস প্রতিনিধিকে আমি জানিয়েছি। তাদেরকে এভাবে জবাব দিতে হবে না। যেহেতু তাদের পরীক্ষা চলছে, ঐ পরীক্ষা শেষে আমরা তাদের সাথে বসবো এবং উদ্ভূত বিষয়গুলো আলোচনা করে  সমাধান করবো।

এসকে
 

আরও পড়ুন

আরও