ইন্দুরকানীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে জলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধের ক্ষতি, ১২ গ্রাম প্লাবিত
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ইন্দুরকানীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে জলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধের ক্ষতি, ১২ গ্রাম প্লাবিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

ইন্দুরকানীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে জলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধের ক্ষতি, ১২ গ্রাম প্লাবিত
পিরোজপুরে ইন্দুরকানীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে  অতিরিক্ত পানির চাপে শতাধিক কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত সহ জলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  কচা ও বলেশ্বর নদের পানি ঢুকে পড়ায় এখনও ১২টি গ্রাম প্লাবিত রয়েছে।  পানিতে তলিয়ে রয়েছে মৎস্য ঘের ও ফসলী জমি।  পানির তোড়ে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে টগড়া, পূর্ব চন্ডিপুর, খোলপটুয়া ও পূর্ব চরবলেশ^র গ্রামের বেড়িবাধ। উপজেলার নদী তীরবর্তি বিভিন্ন গ্রামে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত এবং অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়েছে।

ঝড়ের কবলে  ইন্দুরকানীতে ১ জন নিহত হয়েছে। নিহত শাহ আলম (৫৫) উপজেলার উমিতপুর গ্রামে মৃত মতিউর রহমানের ছেলে।  শাহ আলম ঘূর্ণিঝড়ের আম্ফানের প্রভাবে জোয়ারের পানির স্রোত দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বুধবার রাতে তিনি তার ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তার ঘরের খাটের চারপাশে পানিতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনা দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। বৃহস্পতিবার নিহতের পরিবারকে জেলা প্রশাসক আবু আলী মো: সাজ্জাদ হোসেন নগদ ১০ হাজার টাকা ও খাদ্য সামগ্রী দেন।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে এবং জোয়ারের অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার মৎস্য ঘের ও শাকসবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।  বেশ কয়েকটি গ্রামের কলাক্ষেত তছনছ হয়েছে।  নদ-নদীর পানি ৫ থেকে ৬ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার মৎস্য ঘের ও শতশত পুকুর পানিতে তলিয়ে চাষকৃত মাছ বেরিয়ে যায়। পানির তোড়ে খাল সংলগ্ন কাচাপাকা অনেক রাস্তাঘাট নস্ট হয়েছে। অনেক জায়গায় বসতবাড়ি ও বাগান থেকে পানি নেমে গেলেও ফসলী মাঠ এখনও তলিয়ে রয়েছে কয়েক ফুট পানির নিচে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মাদ আল মুজাহিদ জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ইন্দুরকানীতে বিভিন্ন সেক্টরে কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের কাজ চলছে। এছাড়া ঝড়ের দিন রাতে ঘরে জলোচ্ছাসের পানি দেখে ভয়ে উমেদপুর গ্রামে এক ব্যাক্তি স্ট্রোক করে মারা যান বলে তিনি জানান।

জেআইএল/এইচকে

 

: আরও পড়ুন

আরও