‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব’র সমাপ্তি
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব’র সমাপ্তি

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০১, ২০২১

‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব’র সমাপ্তি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে ১৩তম আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ (ডিইউএফএস) আয়োজিত এই উৎসবের সহযোগিতায় ছিল জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

এবারের আসরের সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছে রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধির পক্ষে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের সিনিয়র প্রটেকশন অফিসার, সুভাস উস্তে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে একটি আধুনিক অ্যামিনেশন ল্যাব সেন্টার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অ্যানিমেশন ল্যাব সেন্টার তৈরি এবং হাজার তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদে একটি ‘জহির রায়হান স্টুডেন্ট ফিল্ম ল্যাব’ স্থাপনে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের তত্ত্বাবধানে এই ল্যাবটিতে তরুণ শিক্ষার্থী ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা সিনেমা বানানোর ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা বাড়িয়ে তোলার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে শিশুদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের বিষয়টি নিয়েও তিনি কথা বলেছেন বলে জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘শরণার্থীদের ওপর হওয়া নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে আমাদের শিক্ষার্থীরা আওয়াজ তুলবে এটাই আমার প্রত্যাশা। চলচ্চিত্র, ছবি- এগুলো অত্যন্ত গভীর গুরুত্ব বহন করে। ইতিহাসকে তুলে ধরে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ধরনের একটি বড় উৎসবের আয়োজন করছে এতে আমরা গর্বিত। ভবিষ্যতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের এই ধরনের আয়োজনের আরও বিস্তৃত সমর্থন দেবে।’

মূলত বিশ্বব্যাপী তরুণ নির্মাতাদের সৃজনশীলতাকে বড় পর্দায় দর্শকের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্য থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ উৎসবটি আয়োজন করে থাকে। এ বছর এ উৎসবের ১৩তম আসরে বিশ্বের ৯৫টি দেশ থেকে মোট ১ হাজার ৩১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবে জমা পড়ে।
  
ইসি 
 

আরও পড়ুন

আরও