তাড়াশে আগাম জাতের ক্ষীরা চাষে বাম্পার ফলন
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১ | ৭ বৈশাখ ১৪২৮



তাড়াশে আগাম জাতের ক্ষীরা চাষে বাম্পার ফলন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২১

তাড়াশে আগাম জাতের ক্ষীরা চাষে বাম্পার ফলন
চলতি বছরে চলনবিলের অধ্যাষিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাঠে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ক্ষীরা চাষ করা হয়েছে।

এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ও বীজ সার এবং কীটনাশক সুলভমূল্যে পাওয়ায় ক্ষীরার বাম্পার ফলন হয়েছে।

কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এ বছর তাড়াশ উপজেলায় ৩৬০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ও চলনবিলের সিংড়া, চাটমোহর, গুরুদাসপুর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, চাটমোহর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষ হয়েছে।

উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের দিঘরীয়া গ্রামের কৃষক আহমেদ আলী জানান, এবছর ১ বিঘা জমিতে ক্ষীরার আবাদ করতে খরচ হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। খরচ বাদে আবাদে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে আরো ক্ষীরা তিনি বিক্রী করবেন।

চলনবিলে ব্যাপক ক্ষীরা উৎপাদন হওয়ায় শুধু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দিঘুরিয়া, রানীর হাট ও কোহিতসহ ১০টি গ্রামে প্রতিবছর গড়ে উঠে ক্ষীরা বিক্রির মৌসুমি হাট। প্রতি মণ ক্ষীরা ৭৫০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়।

জানা যায়, উপজেলার কোহিত, সাচানদিঘি, সান্দুরিয়া, সড়াবাড়ি, বারুহাস, দিঘুরিয়া, দিয়ারপাড়া, তালম সাতপাড়া, নামো সিলট, খাসপাড়া, বড় পওতা, তেঁতুলিয়া, ক্ষীরপোতা, খোসালপুর, বরগ্রাম, বিয়াস আয়েস, পিপুলসোন গ্রামের মাঠের পর মাঠ ক্ষীরার আবাদ হয়েছে।

নজরুল ইসলাম, জালাল উদ্দিনসহ একাধিক কৃষক জানান, এলাকায় ক্ষীরা চাষের জন্য জমি লিজ পাওয়াই যায় না। কারণ ক্ষীরা চাষে কৃষক লাভ পাওয়া তারা ক্ষীরা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। আর যাদের নিজস্ব জমি আছে তারা আরও বেশি লাভবান হচ্ছেন।

অপরদিকে, এসব হাটগুলোতে ক্ষীরা মৌসুমের সময় স্থানীয় চাহিদা পূরণের পর প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক ক্ষীরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া, পাবনা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন শহরে চলে যাচ্ছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, চলনবিলে ক্ষীরা চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। কৃষকেরা ক্ষীরা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। কৃষকেরা বিঘা প্রতি খরচ বাদে ৪০-৪৫ হাজার টাকা করে লাভ করছেন। এভাবে আগামীতে কৃষকেরা ক্ষীরাচাষে আরো উদ্দ্যেগী হবেন।

এসকে/

 

আরও পড়ুন

আরও