পদ্মায় আগাম পানি, বাদাম চাষীদের মাথায় হাত
Back to Top

ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০ | ১৬ কার্তিক ১৪২৭

পদ্মায় আগাম পানি, বাদাম চাষীদের মাথায় হাত

তরিকুল ইসলাম হিমেল, ফরিদপুর ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ, জুন ০৬, ২০২০

পদ্মা, আড়িয়াল খা ও মধুমতি নদী বেষ্টিত ফরিদপুরের চরাঞ্চলের প্রধান ফসল বাদাম। এবার ফলন ভাল হলেও আগাম পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বেশীরভাগ কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারেন নি। লাভ তো দূরে থাক খরচের টাকাই উঠবে না ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের।

ফরিদপুরের কৃষি জমির বড় একটি অংশ চরাঞ্চল। চরের এই জমির প্রধান ফসল বাদাম। প্রতিবছরই জেলায় আবাদ বাড়ছে বাদামে।


কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর হঠাত করে পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে বেশীর ভাগ কৃষকের জমি পানিতে ডুবে গেছে। যার বেশীর ভাগই তুলতে পারেননি কৃষক।


কৃষকরা বলছেন, এবছর ফলন যেমন খারাপ হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও গতবারের তুলনায় কম।


কৃষকরা জানান, ১ বিঘা জমিতে বাদাম আবাদে খরচ হয় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। ভাল ফলন হলে ১৫ থেকে ২০ মন বাদাম উৎপাদন হয়। যা বিক্রি করেন ২৫’শ থেকে ৩৫’শ টাকা মন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ফলন ভাল হওয়ায় প্রতিবছরই জেলায় বাদামের আবাদ বাড়ছে।

২০১৭-১৮ মৌসুমে ৬১২৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল ১০,৪১৫ মেট্রিক টন। ১৮-১৯ অর্থ বছরে ৬১৪০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল ১০৭৪০ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবাদ হয়েছে ৬১৫০ হেক্টর জমিতে।

বাদাম চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে, সরকারের ঘোষিত ৪% সুদ হারের ঋণ প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের দেয়ার দাবী স্থানীয়রা।

অপরদিকে, পানিতে তলিয়ে যাওয়া বাদামের পরিপক্ক অংশ তুলে ফেলার পরামর্শ দিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী জানান, সরকার ঘোষিত ঋণ সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দেয়ার জন্য তালিকা তৈরী হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

আরও