চলনবিলাঞ্চলে ম্যাজিক জালে নির্বিচারে মাছ শিকার
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ৩ কার্তিক ১৪২৮

চলনবিলাঞ্চলে ম্যাজিক জালে নির্বিচারে মাছ শিকার

তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি ২:৫৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ০১, ২০২১

চলনবিলাঞ্চলে ম্যাজিক জালে নির্বিচারে মাছ শিকার
চলনবিলাঞ্চলে খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে চায়না ম্যাজিক কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে নির্বিচারে ছোট-বড় মাছ শিকার করা হচ্ছে। ভয়ংকর এ জালের ব্যবহার বন্ধ না হলে স্থানীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এসব জাল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। উপজেলার নওগাঁ হাটে বিক্রি হচ্ছে এসব চায়নার ম্যাজিক জাল। চায়নার ম্যাজিক জাল এক ধরনের বিশেষ ফাঁদ। এটি প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ফুট লম্বা। ছোট ছোট কক্ষ বিশিষ্ট খোপের মতো। এ জাল খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে বাঁশের খুঁটির সাথে জালের দু'মাথা বেঁধে রাখা হয়। ছোট-বড় সব ধরনের মাছ এ জালে আটকা পড়ে।

স্থানীয় আব্দুল মজিদ, আরিফুল ইসলামসহ অনেকেই জানিয়েছেন, চলনবিলাঞ্চলের তাড়াশ উপজেলার তাড়াশ সদর, ঘরগ্রাম, হামকুড়িয়া, কুন্দইল, নাদোসৈয়দপুর, কাটাবাড়ি, গুরুদাসপুর উপজেলার চাচকৈড়, মশিন্দা, পিপলা, খুবজীপুর, চাটমোহরের কাছিকাটা, হাড়িয়াল, নবীন গ্রামে নদী-খাল, মুক্ত জলাশয়ে ম্যাজিক জালের ফাঁদ পেতে নির্বিচারে পোনাসহ সব ধরনের মা মাছ শিকার করা হচ্ছে। সেই সাথে কুচিয়া, ব্যাঙ, সাপ সহ বিভিন্ন জলজপ্রাণী মারা পড়ছে।

উপজেলার সদরে আমিন হোসেন জানিয়েছেন, ম্যাজিক জালে খুব সহজেই প্রচুর মাছ ধরা পড়ে। বর্ষার শুরু থেকে এই জাল দিয়ে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। কারেন্ট জালের চেয়ে ম্যাজিক জালে বেশি মাছ ধরা পড়ে। এতে বেশি আয় হয়। প্রতিটি ম্যাজিক জালের দাম চার হাজার থেকে আট হাজার টাকা।

তাড়াশ উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. মশগুল আজাদ বলেন, লকডাউনে অফিস আপাতত বন্ধ থাকার মতই। অফিস খোলার পর অভিযান চালানো হবে নিষিদ্ধ ম্যাজিক জালের বিরুদ্ধে। এছাড়া মাছ নিধনের জন্য জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

এসকে
 

আরও পড়ুন

আরও