তাড়াশে পানির অভাবে পাটচাষিদের ভোগান্তি
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫ আশ্বিন ১৪২৮

তাড়াশে পানির অভাবে পাটচাষিদের ভোগান্তি

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ৩:৩১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৪, ২০২১

তাড়াশে পানির অভাবে পাটচাষিদের ভোগান্তি
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার খাল-বিলে পানি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। এখন বর্ষার ভরা মৌসুমে এসব খাল-বিলে পানিতে থৈ থৈ করার কথা থাকলেও এবার দেখা মিলছে না এমন চিত্র।
উপজেলার আট ইউনিয়নের উচু ভুমিগুলোতে পানি না থাকায় কৃষকরাই পড়েছেন বেশি ভোগান্তিতে। সেখানে নদী এবং মাছ চাষের পুকুর ছাড়া কোথাও পাট জাগে ফেলার মতো মিলছে না প্রয়োজনীয় পানি। কোনো উপায় না পেয়ে কৃষকরা পাট কেটে ক্ষেতেই ফেলে রাখছেন। অনেকে ছোট ছোট জলাশয়ে কাঁদাযুক্ত হাটু পানির মধ্যে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে পানি পচে  দুর্গন্ধ বের হচ্ছে তেমনি করে রোগ জীবাণু বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

তাড়াশ উপজেলার নবিপুর গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন  জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পানি না পেয়ে নিচু জায়গায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে জাগ দিচ্ছেন অনেকে। তবে এতে ফলন ভালো হলেও পর্যাপ্ত পানির অভাবে পাটের আঁশ আর সোনালি না থেকে কালো রঙের ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে। অথচ বর্তমান পাটের মূল্যে জাতভেদে দুই হাজার আটশত থেকে তিন হাজার টাকা করে। এদিকে জমি থেকে অনেক দূরে বহন করে নিয়ে পাট জাগে ফেলতে হচ্ছে বলে কৃষকদের পাট উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। 

উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামের মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বর্ষা পানি না থাকার কারণে সড়কের খাদে জমা বৃষ্টির পানিতে পাট জাগে ফেলতে হচ্ছে। কম পানিতে জাগ দেওয়া পাটের আঁশ কালো ও চটাচটা হয় বলে তা কম দামে বিক্রি করতে হয়। পাটের ফলন এবার ভালো হলেও প্রয়োজনীয় পানির অভাবে পাট জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়ানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। 

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানিয়েছেন, এ বছর উপজেলায় ৫৯৫ হেক্টর জমিতে পাটচাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলনও ভালো হয়েছে। 


এসকে

 

আরও পড়ুন

আরও